Donald Trump: নিজের সরকারের বিরুদ্ধেই মামলা ট্রাম্পের! এমনও হয়?
একটা মামলা। যিনি মামলার বাদিপক্ষ, তিনিই আবার বিবাদিপক্ষ। মানে মামলা করেছেন যিনি, মামলা খারিজের পক্ষেও তিনি। এমনই বিরল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। নিজের দেশের রাজস্ব দফতরের বিরুদ্ধেই মামলা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। ক্ষতিপূরণ হিসেবে দাবি করেছেন এক হাজার কোটি ডলার। মামলার সম্ভাব্য শুনানি ১২ বা ১৩ ফেব্রুয়ারি হতে পারে। অভিযোগ, ট্রাম্প, তাঁর বাণিজ্যিক সংস্থা এবং তাঁর ছেলের আয়কর সংক্রান্ত তিনটি ফাইলের তথ্য ফাঁস করেছে মার্কিন রাজস্ব দফতর, অর্থাৎ Internal Revenue Service (আইআরএস)। এই তথ্য ফাঁসের জেরেই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি।
একটা মামলা। যিনি মামলার বাদিপক্ষ, তিনিই আবার বিবাদিপক্ষ। মানে মামলা করেছেন যিনি, মামলা খারিজের পক্ষেও তিনি। এমনই বিরল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। নিজের দেশের রাজস্ব দফতরের বিরুদ্ধেই মামলা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump। ক্ষতিপূরণ হিসেবে দাবি করেছেন এক হাজার কোটি ডলার।
মামলার সম্ভাব্য শুনানি ১২ বা ১৩ ফেব্রুয়ারি হতে পারে। অভিযোগ, ট্রাম্প, তাঁর বাণিজ্যিক সংস্থা এবং তাঁর ছেলের আয়কর সংক্রান্ত তিনটি ফাইলের তথ্য ফাঁস করেছে মার্কিন রাজস্ব দফতর, অর্থাৎ Internal Revenue Service (আইআরএস)। এই তথ্য ফাঁসের জেরেই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি।
তবে ঘটনাটির বিশেষ তাৎপর্য অন্যত্র। ট্রাম্প বর্তমানে দেশের প্রেসিডেন্ট। ফলে তাঁর করা এই মামলায় মার্কিন প্রশাসনকেই রাজস্ব দফতরের পক্ষে সওয়াল করতে হবে। অর্থাৎ, একদিকে ট্রাম্প মামলাকারী হিসেবে ক্ষতিপূরণ চাইছেন, অন্যদিকে তাঁর নেতৃত্বাধীন প্রশাসনকেই সেই মামলার বিরোধিতা করতে আদালতে দাঁড়াতে হবে।
ট্রাম্প নিজে আদালতে সওয়াল করবেন না। তাঁর ব্যক্তিগত আইনজীবী তাঁর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন। অন্যদিকে মার্কিন সরকারের প্রতিনিধিরা রাজস্ব দফতরের হয়ে আদালতে সওয়াল করবেন। ফলে একই প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে কার্যত মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হচ্ছে।
রাজস্ব দফতরের বক্তব্য, ট্রাম্পের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। তাদের দাবি, কোনও নথি ফাঁস হয়নি। অভিযোগ ওঠার পর দফতরের তরফে ফরেনসিক অডিট করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব তথ্য আদালতে পেশ করা হবে। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, এক হাজার কোটি ডলার তো দূরের কথা, এক ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও প্রশ্ন ওঠে না। বরং আইআরএসের দাবি, দফতরকে চাপে ফেলতেই এই মামলা করা হয়েছে।
মামলা শুরু হলে তা নিঃসন্দেহে মার্কিন রাজনীতিতে এক বিরল নজির হয়ে উঠবে। একই মামলায় দেশের প্রেসিডেন্ট কার্যত দুই বিপরীত ভূমিকায়, এমন ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না।