Purulia News update: IC রামনারায়ণ পাল, সুব্রত নিয়োগী, অর্ণব মণ্ডলরা হানা দিলেন জঙ্গলে,আর তারপরই…, বিরাট অ্যাকশন
Purulia: তবে পুলিশের গাড়ি ঢোকার আঁচ পেয়েই আগেই চম্পট দেয় কারবারিরা। ফলে কাউকে হাতেনাতে পাকড়াও করা যায়নি। সীমান্ত পেরিয়ে পাচার করতেই কি চলছিল এই কারবার? এই চোলাই চক্রের আসল মাস্টারমাইন্ড কে? কার ছত্রছায়ায় রমরমিয়ে চলছিল এই ঠেক?

নয়াগ্রাম: উৎসবের মরশুমে যখন আলোয় সাজছে বাংলা, ঠিক তখনই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চলছিল বিষাক্ত মদের কারবার। দুর্গাপুজোর ঠিক মুখেই বাংলা-ওড়িশা সীমান্তে জোরদার অ্যাকশনে নামল নয়াগ্রাম থানার পুলিশ। একেবারে হাতেনাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল চোলাইয়ের রমরমা ঠেক।
গোপন সূত্রে খবর ছিল, সীমান্ত লাগোয়া ধুমসাই গ্রামের গভীর জঙ্গলের আড়ালে বেশ কয়েকদিন ধরে চলছিল চোলাইয়ের কারবার। খবর মিলতেই দেরি করেনি পুলিশ। নয়াগ্রাম থানার আইসি রামনারায়ণ পালের নেতৃত্বে তৈরি হয় স্পেশাল টিম। এএসআই (ASI) সুব্রত নিয়োগী ও অর্ণব মণ্ডলকে সঙ্গে নিয়ে সোজা ওই গোপন ভাটিতে হানা দেয় বিশাল পুলিশবাহিনী।
সেখানে পৌঁছে কার্যত পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। ড্রাম ভর্তি করে মজুত করা ছিল দেশি মদ তৈরির কাঁচামাল। যাকে চলতি ভাষায় বলা হয় ‘জাব’। মুহূর্তের মধ্যে পুলিশি তৎপরতায় প্রায় ১ হাজার লিটার মদ তৈরির উপকরণ ঘটনাস্থলেই নষ্ট করে দেওয়া হয়। মাটিতে ঢেলে ভাসিয়ে দেওয়া হয় বিষাক্ত চোলাই তৈরির সমস্ত রসদ।
তবে পুলিশের গাড়ি ঢোকার আঁচ পেয়েই আগেই চম্পট দেয় কারবারিরা। ফলে কাউকে হাতেনাতে পাকড়াও করা যায়নি। সীমান্ত পেরিয়ে পাচার করতেই কি চলছিল এই কারবার? এই চোলাই চক্রের আসল মাস্টারমাইন্ড কে? কার ছত্রছায়ায় রমরমিয়ে চলছিল এই ঠেক? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। পুলিশ সূত্রে স্পষ্ট বার্তা, পলাতক কারবারিদের রেয়াত করা হবে না, মূল পাণ্ডার খোঁজে সীমান্ত জুড়ে শুরু হয়েছে জোর তল্লাশি।
