Alipurduar: হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! রণক্ষেত্র আলিপুরদুয়ার, চার থানা থেকে ছুটে এল পুলিশ

Tension in Hotel: সঠিক তদন্তের দাবিতে শনিবার বিকালে হোটেলে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। অভিযোগ, হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িও ভেঙে ফেলা হয়। হোটেলের বাইরের দুটি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে বীরপাড়া দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

Alipurduar: হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! রণক্ষেত্র আলিপুরদুয়ার, চার থানা থেকে ছুটে এল পুলিশ
ব্যাপক উত্তেজনা এলাকায় Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 15, 2026 | 9:50 AM

আলিপুরদুয়ার: হোটেলের পাশ থেকে এক আদিবাসী যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শনিবার রণক্ষেত্র হয়ে উঠল আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট–বীরপাড়া ব্লকের রাঙালিবাজনা এলাকা। ক্ষোভে ফেটে পড়ে উত্তেজিত জনতা। হোটেলে ব্যাপক ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে চার থানা থেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম সুখেশ ওরাঁও। তিনি গোপালপুর চা বাগানের বাসিন্দা ছিলেন। দীর্ঘদিন থেকেই এশিয়ান হাইওয়ের ধারে দলদলিয়া এলাকার একটি হোটেলে কাজ করছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন, গত তিন দিন ধরে সুখেশ নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার সকালে হোটেলের একপাশের একটি ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। খবর চাউর হতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এই মৃত্যু কোনওভাবেই স্বাভাবিক নয়। 

সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ক্ষুব্ধ জনতা শনিবার বিকালে হোটেলে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। অভিযোগ, হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িও ভেঙে ফেলা হয়। হোটেলের বাইরের দুটি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে বীরপাড়া দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাদারিহাট, বীরপাড়া, জয়গাঁও ও হাসিমারা, এই চার থানা থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। ইতিমধ্যেই পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এটি নিছকই আত্মহত্যা নাকি এর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে রহস্যের অনেকটাই কাটবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। 

ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মিঠুন ওরাঁও ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।” স্থানীয় সমাজসেবী পরিমল ওরাঁও দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।