Suvendu Adhikari: কত লক্ষ সংখ্যালঘু মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনা পাচ্ছেন, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
Suvendu Adhikari in Nandigram: সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "নন্দীগ্রামে প্রায় ২৭ শতাংশ সংখ্যালঘু রয়েছে। রেজিনগরে প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু রয়েছেন। এবার সুযোগ রয়েছে। যদি ভোট দেন, তাহলে হাতে হাত মিলিয়ে আমরা একসঙ্গে চলব। উন্নয়নের সুযোগ সবাই পাচ্ছেন, সবাই পাবেন। প্রায় ৫৪ লক্ষ আবাসের বাড়িতে নাম উঠেছে"

হলদিয়া: অগস্ট মাসে প্রায় ১ কোটি ৪৮ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা। তাঁদের মধ্যে কতজন সংখ্যালঘু উপকৃত হয়েছেন, তা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ (Hasirani Rath) মনোনয়ন পেশ করেন। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীও। সেখান থেকেই সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে বার্তা দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সংখ্যালঘুরা তাঁকে ভোট দেয় না। যদিও উন্নয়নের সুযোগ থেকে কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন না বা ভবিষ্যতেও হবেন না। আর তার উদাহরণ দিতে গিয়েই অন্নপূর্ণা যোজনায় উপকৃত সংখ্যালঘু মহিলার পরিসংখ্যান জানিয়েছেন।
কতজন সংখ্যালঘু মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেলেন?
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নন্দীগ্রামে প্রায় ২৭ শতাংশ সংখ্যালঘু রয়েছে। রেজিনগরে প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু রয়েছেন। এবার সুযোগ রয়েছে। যদি ভোট দেন, তাহলে হাতে হাত মিলিয়ে আমরা একসঙ্গে চলব। উন্নয়নের সুযোগ সবাই পাচ্ছেন, সবাই পাবেন। প্রায় ৫৪ লক্ষ আবাসের বাড়িতে নাম উঠেছে। তার মধ্যে প্রায় ১৩-১৪ লক্ষ সংখ্যালঘুর নাম রয়েছে। এক কোটি ৪৮ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণার টাকা পেয়েছেন অগস্টে। সেপ্টেম্বরের টাকা ১৬ তারিখ ঢুকবে। তাতেও প্রায় ২০ লক্ষ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা মোদীজির সৈনিক। উন্নয়নে ভেদাভেদ করি না। আপনারা সবাই আমাদের হিন্দুদের দল বলে বলেন।”
সংখ্যালঘুদের ‘সুযোগ’ মুখ্যমন্ত্রীর
সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে বার্তা দিতে গিয়ে নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের জন্য বললাম, এটাই আপনাদের শেষ সুযোগ। সরকার-মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যদি থাকতে চান, হাতে হাত মিলিয়ে যদি কাজ করতে চান, কাজ নিতে চান, আপনাদের পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। আপনি পরীক্ষায় পাশ করবেন না ফেল করবেন, সেটা আপনাদের ওপর ছেড়ে দিলাম। বাকি আমরা তো জিতছি, জিতব।”
