Bankura: ১৮ বছর আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন, ঝাড়খণ্ডে নিহত ১৫ মাওবাদীর তালিকায় বাঁকুড়ার সমীর, কী বলছে পরিবার?

Bankura Maoist gun down: বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের এককালের মাওবাদী প্রভাবিত বারিকুল থানার প্রত্যন্ত গ্রাম ইঁদকুড়ি। এই গ্রামেই জন্ম সুরেন্দ্রনাথ সোরেনের। অল্প বয়সেই বাবা মারা যান। মায়ের কাছেই বড় হয়ে ওঠেন সুরেন্দ্রনাথ ও তাঁর ভাই হলধর সোরেন।

Bankura: ১৮ বছর আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন, ঝাড়খণ্ডে নিহত ১৫ মাওবাদীর তালিকায় বাঁকুড়ার সমীর, কী বলছে পরিবার?
কী বলছেন মৃতের ভাই হলধর সোরেন?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jan 23, 2026 | 12:55 PM

বাঁকুড়া: ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদী-মুক্ত করার কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আত্মসমর্পণ করে মাওবাদীদের সমাজের মূল স্রোতে ফেরার বার্তা দিয়েছেন। একইসঙ্গে সমাজের মূল স্রোতে না ফেরা মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডে তেমনই একটি অভিযানে ১৫ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছেন বাঁকুড়ার একজন। নিহত ওই মাওবাদীর নাম সুরেন্দ্রনাথ সোরেন ওরফে সমীর। ওই মাওবাদীর মৃত্যুতে কী বলছে তাঁর পরিবার?

গতকাল ঝাড়খণ্ডের সারান্ডার জঙ্গলে কোবরা ও ঝাড়খণ্ড জাগুয়ার বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে নিহত হন ১৫ জন মাওবাদী। নিহত ওই ১৫ জনের মধ্যে রয়েছেন বাঁকুড়ার বারিকুল থানার ইঁদকুড়ি গ্রামের সুরেন্দ্রনাথ সোরেন ওরফে সমীর। সুরেন্দ্রনাথ সিপিআই মাওবাদীদের সারান্ডা জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন।

বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের এককালের মাওবাদী প্রভাবিত বারিকুল থানার প্রত্যন্ত গ্রাম ইঁদকুড়ি। এই গ্রামেই জন্ম সুরেন্দ্রনাথ সোরেনের। অল্প বয়সেই বাবা মারা যান। মায়ের কাছেই বড় হয়ে ওঠেন সুরেন্দ্রনাথ ও তাঁর ভাই হলধর সোরেন। স্থানীয় শুশুনিয়া হাইস্কুলের পড়ার সময় ২০০৬-০৭ সালে নবম শ্রেণিতে অকৃতকার্য হয়ে লেখাপড়ায় ইতি টানেন সুরেন্দ্রনাথ। এরপরই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। তারপর ২০০৯ সাল নাগাদ একবার সাময়িক সময়ের জন্য বাড়িতে ফিরেছিলেন সুরেন্দ্রনাথ। তারপর আবার চলে যান।

পরিবারের দাবি দীর্ঘ যোগাযোগের অভাবে সুরেন্দ্রনাথ কোথায় থাকতেন, কী করতেন, তা কিছুই জানত না পরিবার। গতকাল সারান্ডার জঙ্গলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের এনকাউন্টার এবং সেই এনকাউন্টারে সুরেন্দ্রনাথ সোরেনের মৃত্যুর খরর জানেন না পরিবারের লোকজন। তাঁর সম্পর্কে বিশেষ আগ্রহ দেখাতেও নারাজ পরিবারের লোকজন।

সুরেন্দ্রনাথ সোরেনের ভাই হলধর সোরেন বলেন, “আমার দাদার নাম সুরেন্দ্রনাথ সোরেন। তিনি অনেকদিন আগে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তিনি কী করেন, আমরা জানি না। আমাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।” মৃত মাওবাদী তাঁর দাদা কি না, তাও তিনি জানেন না বলে জানান।