Mid Day Meal: মিড ডে মিলে বাড়ল বরাদ্দ! এভাবে ভোটের মুখে বরাদ্দ বাড়লে বছর বছর ভোট হোক, চাইছেন পড়ুয়া থেকে অভিভাবকরাও

Mid Day Meal in West Bengal: এতদিন প্রাথমিকে মিড ডে মিলের জন্য পড়ুয়াদের মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। পড়ুয়াদের মাথাপিছু আলাদা করে বরাদ্দ করা হত চাল। সামান্য বরাদ্দ টাকায় সবজি থেকে ডাল, জ্বালানি থেকে মশলা কিনে চালাতে হত মিড ডে মিল। অগত্যা সপ্তাহে কোনও স্কুলে একদিন, বা দু’দিন মিলতো ডিম।

Mid Day Meal: মিড ডে মিলে বাড়ল বরাদ্দ! এভাবে ভোটের মুখে বরাদ্দ বাড়লে বছর বছর ভোট হোক, চাইছেন পড়ুয়া থেকে অভিভাবকরাও
খুশির হাওয়া স্কুলগুলি Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 19, 2026 | 3:50 PM

বাঁকুড়া: মিড ডে মিলে বাড়ল বরাদ্দ। শিক্ষা মহল থেকে নাগরিক মহল, সর্বত্রই চলছে চর্চা। এতদিন স্কুলের মিড ডে মিলে মাথাপিছু যা বরাদ্দ ছিল তাতে ফল তো দূরের কথা সপ্তাহে একদিন মিড ডে মিলের পাতে গোটা ডিম দিতে রীতিমত হিমশিম খেতে হত স্কুলগুলিকে। ভোটের মুখে এবার বরাদ্দ বাড়ল মিড ডে মিলে। এবার সপ্তাহে প্রায় দিনই মিড ডে মিলের পাতে পড়বে গোটা ডিম। ডিম না মিললে মিলবে মরসুমি ফল। ভোটের জন্য যদি এভাবে বরাদ্দ বৃদ্ধি হয় তাহলে বছর বছর ভোট হোক বলছেন ক্ষুদে পড়ুয়া,  অভিভাবক এমনকি শিক্ষকেরাও। 

এতদিন প্রাথমিকে মিড ডে মিলের জন্য পড়ুয়াদের মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল ৬ টাকা ৭৮ পয়সা। পড়ুয়াদের মাথাপিছু আলাদা করে বরাদ্দ করা হত চাল। সামান্য বরাদ্দ টাকায় সবজি থেকে ডাল, জ্বালানি থেকে মশলা  কিনে চালাতে হত মিড ডে মিল। অগত্যা সপ্তাহে কোনও স্কুলে একদিন, বা দু’দিন মিলতো ডিম। ডিমের দাম বাড়লে গোটা ডিমের বদলে কোথাও কোথাও আধখানা ডিম দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দিতেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বারেবারে মিড ডে মিলের বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। কিন্তু কে শোনে কার কথা! তবে এবার ভোটের মুখে টনক নড়ল রাজ্যের সরকারের। বাড়তি ৭৮ কোটি টাকা বাড়ল বরাদ্দ। বাড়তি এই বরাদ্দে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের পাতে মাসে অতিরিক্ত ১২ দিন ডিম অথবা মরসুমি ফল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বিরোধীরা বলছেন ভোটের জন্যই এই বরাদ্দ বৃদ্ধি। কিন্তু রাজনীতিকরা যাই বলুন না কেন, সাধারণ পড়ুয়া ও অভিভাবকদের একটা বড় অংশ যারা অনেকাংশে মিড ডে মিলের উপর নির্ভরশীল তাঁরা বলছেন এভাবে বরাদ্দ বৃদ্ধি হলে বছর বছর ভোট আসুক। তাতে আর যাই হোক মিড ডে মিলের নিরামিষ পাতে অন্তত মিলবে একটু আমিষ। মিলবে পুষ্টিও। আকাশছোঁয়া বাজারদরে বর্ধিত বরাদ্দে মরসুমি ফল দেওয়া কতটা সম্ভব তা নিয়ে দ্বিধা থাকলেও শিক্ষকদের দাবি বর্ধিত বরাদ্দে অন্তত সপ্তাহে আরও কয়েকটা দিন পড়ুয়াদের পাতে ডিম দেওয়াটা কঠিন হবে না। ভোটের জন্য পড়ুয়াদের এমন প্রাপ্তিযোগ ঘটলে এমন ভোট বছর বছর আসার পক্ষে হাসিমুখেই সওয়াল করছেন অনেকেই।