
বাঁকুড়া: অফিসের কাজ হোক বা পড়াশোনা, সর্বত্রই এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দাপট। কিন্তু এই এআই ব্যবহার করতেই গিয়ে বাতিল হল মাধ্যমিকের একাধিক পড়ুয়ার পরীক্ষা। এআই টুল ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৩৮ থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল হয়েছে বলে জানালেন পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি অঙ্কের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল প্রশ্ন থাকা নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তিও এদিন উড়িয়ে দিয়েছেন পর্ষদ সভাপতি।
মোবাইলে এআই ব্যবহার করে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে ধরা পড়ার ঘটনা গোটা রাজ্যের নানা প্রান্তেই ঘটেছে। এদিন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে একাধিক পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের গিয়েছিলেন রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। তখনই তিনি এই তথ্য সামনে আনেন। সঙ্গে এও জানিয়ে দেন পূর্ব ঘোষিত নিয়ম অনুযায়ী এই পরীক্ষার্থীদের সকলেরই পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে একইসঙ্গে পর্ষদ সভাপতির দাবি রাজ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্র পুরোপুরি থামানো সম্ভব হয়েছে।
মাধ্যমিকে অঙ্কের প্রশ্নপত্রে ভুল প্রশ্ন থাকার বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের একাংশের দাবি নিয়ে বিস্তর চাপানউতোরও হয়। চাপানউতোর তৈরি হয়েছিল শিক্ষামহলে। যদিও প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়টি কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন পর্ষদ সভাপতি। তাঁর দাবি, প্রশ্নপত্রে ভুল নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। প্রশ্নপত্রে ভুল থাকার বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা এখনও কিছুই জানাননি। তাই এ নিয়ে অহেতুক চর্চা না করাই ভাল। অন্যদিকে এবার শুরু থেকেই একাধিক জেলা থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার মাঝেই অসুস্থ হওয়ার খবর আসে। অনেক পরীক্ষার্থীকেই ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে। বেডে বসেই হয় পরীক্ষার আয়োজন।