AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Govt Hospital: ৬ জন ডাক্তার থাকলেও ‘দায়িত্বে’ একজন কেন? সকাল থেকে আউটডোরে লাইন লম্বা হতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন রোগীরা

Govt Hospital: সূত্রের খবর, হাসপাতালে ৬ জন চিকিৎসক থাকলেও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আউটডোর পরিষেবা সামাল দেন একজন চিকিৎসকই। কিন্তু রোগীদের অভিযোগ, সেই চিকিৎসক তো বটেই হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীদের আসি যাই মাইনে পাই মনোভাবে কার্যত লাটে উঠতে বসেছে ওই হাসপাতালের আউটডোর পরিষেবা।

Govt Hospital: ৬ জন ডাক্তার থাকলেও ‘দায়িত্বে’ একজন কেন? সকাল থেকে আউটডোরে লাইন লম্বা হতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন রোগীরা
সকাল থেকেই লম্বা লাইন Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 18, 2025 | 2:50 PM
Share

বাঁকুড়া: সকাল থেকে লম্বা লাইন আউটডোরের সামনে। দেখা নেই চিকিৎসক থেকে চিকিৎসা কর্মীদের। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে শুরু হল পরিষেবা। সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দিনের পর দিন এমন টালবাহানায় ক্ষুব্ধ রোগী ও রোগীর পরিজনেরা। চাপানউতোর স্বাস্থ্য মহলের অন্দরেও। নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকেই আউটডোর পরিষেবা চালু হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু, বেলা দশটা পর্যন্ত হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসক তো দূর, দেখা মেলেনি কোনও চিকিৎসা কর্মীরও। 

সকাল থেকে রোগীদের লম্বা লাইন পড়লেও স্বাস্থ্য কর্মীরা হাসপাতালে ঢুকলেন বেলা দশটার পর। চিকিৎসক এলেন তারও পরে। দিনের পর দিন বাঁকুড়ার সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিষেবার এমন হালে রীতিমতো হতাশ স্থানীয় বাসিন্দারা। বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল সিমলাপাল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইনডোর পরিষেবার পাশাপাশি রয়েছে আউটডোরও। 

সূত্রের খবর, হাসপাতালে ৬ জন চিকিৎসক থাকলেও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আউটডোর পরিষেবা সামাল দেন একজন চিকিৎসকই। কিন্তু রোগীদের অভিযোগ, সেই চিকিৎসক তো বটেই হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীদের আসি যাই মাইনে পাই মনোভাবে কার্যত লাটে উঠতে বসেছে ওই হাসপাতালের আউটডোর পরিষেবা। স্থানীয়দের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালের আউটডোরে সকাল ৯টা থেকে পরিষেবা মেলার কথা। কিন্তু, প্রায়দিনই চিকিৎসক আসেন দশটা বা সাড়ে দশটায়। টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী থেকে আউটডোরের অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মীদের অবস্থাও তথৈবচ। এই অবস্থায় ন্যূনতম আউটডোর পরিষেবা পেতে প্রায় প্রতিদিনই নাকাল হতে হচ্ছে স্থানীয় রোগী ও রোগীর পরিজনদের। আউটডোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি। আউটডোর দেরিতে শুরু হওয়ার কারণ হিসাবে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়েছেন হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীদের পাশে দাঁড়ালেও চিকিৎসকদের এই গাফিলাতির কড়া সমালোচনা করেছে।  

Follow Us