Potato Crisis: মাথায় বৃষ্টির ভ্রুকুটি, এখনও বাকি ফলন! বিক্রি করলে প্রতি কেজির দাম সাড়ে ৪ টাকারও কম! কী হবে এত আলুর?
Potato Crisis: রাজ্যের প্রথম তিন আলু উৎপাদক জেলার মধ্যে অন্যতম বাঁকুড়া। জেলার বিষ্ণুপুর মহকুমার সর্বত্র এবং খাতড়া মহকুমার একটা বড় অংশে আলুর চাষ হয়। চলতি বছর অতিবৃষ্টিতে ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।

বাঁকুড়া: লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছিলেন। ফলনও হয়েছে ভাল। কিন্তু, এখন আলুর যা দাম তা দেখেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চাষীরা। অবস্থা যা তাতে সকলের একটাই কথা, লাভ তো দূর খরচটুকুও উঠবে না। এদিকে বুধবার থেকেই বৃষ্টির পূর্বাভাসে আলু চাষে তীরে এসে তরী ডোবার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে কৃষকদের মনে। অগত্যা একপ্রকার বাধ্য হয়েই মাঠ থেকে আলু তুলে ফড়েদের বিক্রি করে দিচ্ছেন কৃষকেরা।
রাজ্যের প্রথম তিন আলু উৎপাদক জেলার মধ্যে অন্যতম বাঁকুড়া। জেলার বিষ্ণুপুর মহকুমার সর্বত্র এবং খাতড়া মহকুমার একটা বড় অংশে আলুর চাষ হয়। চলতি বছর অতিবৃষ্টিতে ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। এখন আলুর ফলন ভাল হওয়াতেই কিছুটা হলেও মুখে হাসি ফুটেছিস কৃষকদের। আলু বিক্রি করেই লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার ভাবনা ছিল চাষিদের। কিন্তু, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের সরকার আলু রফতানি বন্ধ করে রাখায় আলুর চাহিদা তলানিতে। ফলে আলু ওঠার এই মরসুমে আলুর দাম নেমেছে মাত্রাতিরিক্তভাবে। এদিন বাঁকুড়ার সর্বত্র জমিতে আলুর দাম বস্তাপিছু মাত্র ২৩৫ টাকা। অর্থাৎ কিলো প্রতি আলুর দর সাড়ে চার টাকারও কম। এই অবস্থায় আলু না তুলে কিছুদিন অপেক্ষা করে পরবর্তীতে দাম বৃদ্ধি পেলে আলু তুলে তা বিক্রির পরিকল্পনা করেছিলেন বহু চাষি।
অনেক জায়গাতেই আলু এখনও ঠিক মতো বাড়েনি। সে কারণেই আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে চাইছিলেন কৃষকরা। কিন্তু, সেখানেও বিপদ। আচমকাই বুধবার থেকে বাঁকুড়া জেলাজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এখন আলু তোলার আগেই বৃষ্টি হলে সব মাটেই শেষ হয়ে যাবে! ফলে এখন সাঁড়াশি চাপে দিশেহারা কৃষকরা। সব হারানোর আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি জমির আলু তুলে কম দামেই বিক্রি করে দিচ্ছেন ফড়েদের।
