Annapurna Yojona: কাল ওঁরা কেউই পাননি টাকা! অনলাইন না অফলাইন? কোন আবেদনে আগে ঢুকছে অন্নপূর্ণার অনুদান?
Annapurna Yojana July Payment Delay: বিক্ষোভকারীদের দাবি, জুন মাসের প্রথম দু'সপ্তাহের মধ্যে তাঁরা বোলপুর পৌরসভায় অফলাইনে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা আসেনি। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত বোলপুর পৌরসভা ইচ্ছাকৃতভাবে অফলাইনে জমা পড়া আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরে পাঠায়নি।

বীরভূম: বুধবার অন্নপূর্ণ যোজনার জুলাই মাসের কিস্তি পেয়েছেন। কিন্তু অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। কিন্তু এই নিয়ে বিস্তর উঠেছে প্রশ্ন। অন্নপূর্ণা যোজনায় অনলাইনে আবেদনকারী বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা পৌঁছালেও, অফলাইনে আবেদন করা বহু মহিলার অ্যাকাউন্টে এখনও সেই অর্থ না পৌঁছানোর অভিযোগে বৃহস্পতিবার বীরভূমের বোলপুর পৌরসভায় বিক্ষোভ দেখান একদল মহিলা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, জুন মাসের প্রথম দু’সপ্তাহের মধ্যে তাঁরা বোলপুর পৌরসভায় অফলাইনে আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনুদানের টাকা আসেনি। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত বোলপুর পৌরসভা ইচ্ছাকৃতভাবে অফলাইনে জমা পড়া আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরে পাঠায়নি। এর পিছনে বিজেপিকে বদনাম করা এবং আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্য রয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।
এক আবেদনকারী বলেন, “কাল সরকার ১ কোটি ২০ লক্ষ আবেদনকারীকে টাকা দিয়েছেন। যাঁরা অনলাইন করেছিলেন, তাঁদের সবারই টাকা ঢুকেছে। এটা আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি। কিন্তু যাঁরা পৌরসভায় অফলাইনে আবেদন জমা করেছিলেন, তাঁরা কেউই টাকা পাননি। তাঁদের পোর্টালে নামই তোলা হয়নি। ফাইল পড়ে রয়েছে। এতদিন কেন নাম তোলানো হল না, সেটা প্রশ্ন। এটা সরকারের দোষ নয়। যাঁরা পৌরসভা হ্যান্ডেল করছে, তাঁরাই বেছে বেছে নাম তুলেছে।” আরেক বিক্ষোভকারীর বক্তব্য, “আমরা ৪ তারিখে ফর্ম জমা করেছি, আমরা যাঁরা ৪ তারিখে ফর্ম জমা করেছি, তাঁরা কেউই পাননি। আর ৬ তারিখে করেও টাকা পেয়েছেন। আমরা গরিব মানুষ। এই টাকায় ওষুধ কিনি।”
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৌরসভা চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বোলপুর থানার পুলিশ। বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে যোগ্য আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অনুদানের অর্থ পৌঁছে দেওয়ার দাবি জানান। যদিও এই নিয়ে পৌরসভার কোনও কর্মীও কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না।
