
বীরভূম: ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন নিয়ে সুর বদল বীরভূম জেলার কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডলের। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তোপ দাগলেন তিনি। জেল খাটবেন কিন্তু দেশ থেকে বেরবেন না, কড়া হুঁশিয়ারি কেষ্টর। রবিবার বীরভূমের লাভপুর বিধানসভার অন্তর্গত দারকা অঞ্চলে আয়োজিত তৃণমূলের সভায় যোগ দিয়েছিলেন অনুব্রত। সেখান থেকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন নিয়ে সুর চড়ান তিনি।
কেষ্ট মণ্ডলের দাবি, ‘১৯৫২ সালে যখন প্রথম ভোটার তালিকা তৈরি হয়, তখন তাতে আমার দাদুর নাম ছিল। কিন্তু তারপরেও আমাদের ভোটার তালিকার জন্য ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে। আমরা ফর্ম ফিল-আপ করব। কিন্তু ওতই সহজ না? তোমরা আমাদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে। আমরা রুখে দাঁড়াব, ভয় পাই না, পাবও না।’
গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের কাজ। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করছেন বিএলও-রা। একদিকে যখন দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া। তখন তার সঙ্গেই চড়ছে রাজনৈতিক পারদও। সম্প্রতি, বাংলায় এখনও পর্যন্ত এসআইআর আতঙ্কে মৃতদের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে দলে যখন এসআইআর নিয়ে থেকেছিল বেসুরো। তখন কেষ্ট বলেছিলেন, অন্য কথা।
তিনি বলেছিলেন, ‘এসআইআর চালু হোক, তাতে সমস্যা কি? ভোটার তালিকা পরিষ্কার হবে। এটা তো খারাপ কিছু নয়।’ প্রশ্ন উঠেছিল যেখানে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর দলের নেতার এমন বার্তা কেন? তবে সে সব এখন অতীত। এসআইআর নিয়ে ‘মূলস্রোতে’ ফিরেছেন অনুব্রত। স্বভাবসিদ্ধ ভাবে দিচ্ছেন হুঁশিয়ারি।