Anubrata Mondal: একা অনুব্রত ২১ জুলাই ঋত শিবিরের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন ৩০ হাজার লোক!
Birbhum: সেই অনুব্রতও এখন বিদ্রোহী শিবিরে। নাম লিখিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের 'আসল' তৃণমূলে। সামনেই রয়েছে একুশে জুলাই। তাই বীরভূম এবার ঋত শিবিরের জন্য ২৫ থেকে ৩০ হাজার কর্মী নিয়ে যাবেন বলে দাবি করেন বীরভূম জেলা সভাপতি।

বীরভূম: গরুপাচার কাণ্ডে দীর্ঘদিন তিহার জেলে কাটিয়ে এসেছেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তিনি ফিরে আসার পর তাঁকে বীরের সম্মান দিতে চেয়েছিলেন তাঁর নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুব্রতও এখন বিদ্রোহী শিবিরে। নাম লিখিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘আসল’ তৃণমূলে। সামনেই রয়েছে একুশে জুলাই। তাই বীরভূম এবার ঋত শিবিরের জন্য ২৫ থেকে ৩০ হাজার কর্মী নিয়ে যাবেন বলে দাবি করেন বীরভূম জেলা সভাপতি।
কেষ্ট যখন জেলে ছিলেন, বীরভূম তখন নিজেই সামলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা সভাপতির দায়িত্ব তিনি কাউকে দেননি। বলা ভাল, তিনি অনুব্রতর জায়গা কাউকে নিতে দেননি। এরপর জেল থেকে ফেরেন অনুব্রত। তবে জেলা সভাপতির পদ হারান তিনি। ততদিনে সুপ্রিমো মমতা কোর কমিটি তৈরি করেন। সেখানে সদস্য হন তিনি। অর্থাৎ আলাদা করে কোনও দায়িত্ব ছিল না দীর্ঘদিনের সংগঠক অনুব্রতর কাঁধে।
এরপর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের শিবিরে নাম লেখানোর পর ফের তিনি ফিরে পেলেন পুরনো জায়গা। এ দিকে, আবার সামনেই একুশে জুলাই। সেই শহিদ দিবস পালন করবে তৃণমূলের দুই শিবিরই। অর্থাৎ তৃণমূলের তরফে ২টো একুশে জুলাই হবে। ইতিমধ্যেই এর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ঋত শিবির। কাউন্সিলর ও দলের কর্মীদের উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লোক জোগাড়ের। তেমন দায়িত্ব পেয়েছেন কেষ্টও। সেই নিয়েই তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “একুশে জুলাই বীরভূম থেকে লোকজন যাবে। ১০০ বার যাবে। ২৫ থেকে ৩০ হাজার লোক যাবে।”
হীমাদ্রি মণ্ডলের রিপোর্ট
