
সিউড়ি: এসআইআরের মধ্যে ফের মৃত্যু। এবার সিউরিতে বৃদ্ধার মৃত্যুতে কাঠগড়ায় নির্বাচন কমিশন। শুনানির নোটিস পেয়েও যাননি বৃদ্ধা। ছিলেন খুবই চিন্তায়। পরিবারের সদস্যরা বলছেন মানসিক চাপই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিল। মৃতার নাম অঞ্জলি মণ্ডল। বীরভূমের সিউড়ি পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।
পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, অঞ্জলি দেবী আগে থেকেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। ক্যানসারের রোগীও ছিলেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর নামে SIR হেয়ারিং-এর নোটিস আসে। গত ৮ই জানুয়ারি সেই হিয়ারিং-এর দিন ধার্য ছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তাঁর পক্ষে সশরীরে উপস্থিত হওয়া সম্ভব ছিল না। মৃতার ছেলে নিমাই মণ্ডল বলছেন, এমনিতেই অসুস্থ ছিলেন। তার উপর হিয়ারিংয়ের নোটিস আসতেই আরও চিন্তা করছিলেন। তাঁরা বলছেন, প্রবল মানসিক চাপে ভেঙে পড়েন অঞ্জলি দেবী। নোটিশের বিষযটি নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে করতে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। এরইমধ্যে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন তিনি।
এদিন মৃতার বাড়িতে যান সিউরির তৃণমূল বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী। কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। তীব্র কটাক্ষের সুরে বলেন, “এটা খুবই দুঃখজনক। আমরা এই এসআইআর চাইনি। অঞ্জলি মণ্ডলের মতো মানুষেরা চলে গেল। অসুস্থ বলে হিয়ারিংয়ে যেতে পারেনি। কিন্তু দুশ্চিন্তায় ছিলেন খুবই। ভাবছিলেন এরপর আমার কী হবে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। কেন এইভাবে মানুষকে হেনস্থা করা হবে? এর দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনারকে নিতে হবে।”