Sovan-Sougata: ‘চোর চোর বলে, তাই বলে কি গায়ে মাখব?’ আশিসের বাড়িতে গেলেন শোভন-সৌগতরা
Birbhum: শোভন বলেন, "ঠিক কী কারণে এমন কাজ করল আশিস বুঝতে পারলাম না। সম্ভবত অপমানেই এমন কাজ করেছে।" তারপর তাঁর সংযোজন, "রাজনীতি করতে গেলে এইসব জিনিস সোয়ে নিতে হয়। আমাদের কেউ তো অনেকেই অনেক সময় অনেক কিছু বলে। চোর চোর বলে, তাই বলে কি গায়ে মাখবো?"

বীরভূম: গত রবিবার ঘরের পাশের পার্টি অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার অশিস বন্ধ্যোপাধ্যায়ের দেহ। সঙ্গে উদ্ধার হয়েছিল একটি আত্মহত্যার চিঠিও। যেখানে ছত্রে-ছত্রে তিনি লিখেছেন, দুর্নীতি করেননি। পরিবারের প্রাথমিক অনুমান, হয়ত দুর্নীতির অভিযোগ সহ্য করতে না পেরেই এমন পথ বেছেছেন তিনি। আজ এ প্রসঙ্গেই মন্তব্য করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, রাজনীতি করতে গেলে এইসব অপমান সহ্য করে নিতে হয়।
সোমবার বীরভূমের রামপুরহাটে আসিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে আসেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও সৌগত রায়। দেখা করেন তাঁর বাড়ির লোকের সঙ্গে। এরপর মাল্যদান করেন ছবিতে। শোভন বলেন, “ঠিক কী কারণে এমন কাজ করল আশিস বুঝতে পারলাম না। সম্ভবত অপমানেই এমন কাজ করেছে।” তারপর তাঁর সংযোজন, “রাজনীতি করতে গেলে এইসব জিনিস সোয়ে নিতে হয়। আমাদের কেউ তো অনেকেই অনেক সময় অনেক কিছু বলে। চোর চোর বলে, তাই বলে কি গায়ে মাখবো?”
রবিবার স্বামীর মৃত্যু নিয়ে মুখ খুলেছিলেন আশিসের স্ত্রী। সেই সময় তিনি শক্তিগড়ের প্রসঙ্গও তুলেছিলেন। এখানে উল্লেখ্য, একুশে জুলাইয়ের সভায় যাওয়ার পথে চোর অপবাদ শুনতে হয় আশিসকে। সেই নিয়েই তাঁর স্ত্রীর আশঙ্কা হয়ত সেই দিন থেকেই আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। আশিসবাবুর স্ত্রী বলেন, “কখন বেরিয়েছিল কিছুই জানি না। আমার পা ভাঙা .. হাঁটতেও পারি না। আমার মনে হয় ডিপ্রেশনে ভুগছিল। যে দিন শক্তিগড় গেল, সেই চোর চোর নানা রকম স্লোগান দিয়েছিল সেগুলি মনের মধ্যে নিশ্চয় লেগে গেছিল।”
