Kalyan Banerjee: ‘ঋতব্রতদের হাতে একটাও এমপি আছে?’ নির্বাচন কমিশন থেকে বেরিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন কল্যাণ
Kalyan Banerjee attacks Ritabrata: কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, "একটা সাজেশন আমি দিয়ে এসছি। কার কি ক্ষমতা রয়েছে, তা যদি দেখতে চাও ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ডাক। তোমরা থাক। কজন লোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছে, আর কতজন লোক অত বড় নেতার সঙ্গে রয়েছেন, সেটা দেখে নিক।"

কলকাতা: ‘আসল’ তৃণমূল কারা? কার দখলে থাকবে দলের নাম-প্রতীক? এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবার কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরকে ডেকে পাঠিয়েছিল কমিশন। সেখান থেকে বেরিয়েই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে সাংসদ সংখ্যা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিলেন তিনি। কল্যাণের প্রশ্ন, “তাঁদের কাছে ২৮ জন সাংসদ। ঋতব্রতদের একটাও সাংসদ আছে?”
কী বলেছেন কল্যাণ?
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক সেরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁরা সব নথি জমা দিয়েছেন। এরপরই নাম না করে ঋতব্রতকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন। প্রশ্ন তুলেছেন,”কীভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পার্টির জনক হয়ে উঠলেন?” তৃণমূল সাংসদ বলেন, “পার্টিটার জন্ম দিল তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৩ দিন ধরে চেয়ারপার্সন হয়ে রয়েছে। আজ হঠাৎ করে বলছে আমি পার্টির জনক। এটা তো হতে পারে না। ২০২৩ সালে সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক হবে? প্রতীকের যখন প্রশ্ন আসছে, তখন প্রশ্ন ওঠে জন্মটা কে দিয়েছে। ও তো জন্ম দেয়নি। প্রতীক কার গ্রহণ করা হবে? প্রতীক করা হবে তার, যাকে অথোরাইজ করেছে নির্বাচন কমিশন। আর ওকে যদি প্রতীক গ্রহণ করতে হয়, তাহলে ওকে নির্বাচন কমিশনকে বলতে হবে যে, এটাই ওর অরিজিনাল পার্টি। সেখানে না পৌঁছলে তার দেওয়া প্রতীক গ্রহণ করা যায় না।”
এরপরই সাংসদ নিয়ে বড় প্রশ্নও তুলে দিলেন। বলেন, “এখনও পর্যন্ত তো কাগজে-কলমে ২৮ জন সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের। একটাও সাংসদ রয়েছে? শুধু বিধায়ক দেখালে হবে? কাউন্সিলর আছে?”
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “একটা সাজেশন আমি দিয়ে এসছি। কার কি ক্ষমতা রয়েছে, তা যদি দেখতে চাও ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ডাক। তোমরা থাক। কজন লোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছে, আর কতজন লোক অত বড় নেতার সঙ্গে রয়েছেন, সেটা দেখে নিক।”
কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর কী বলেছেন ঋতব্রত?
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, “আমাদের বক্তব্য আমরা বলেছি। সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। প্রতীক নিয়ে কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনকে বলেছি। আমরা আশাবাদী যে রায় আমাদের পক্ষেই যাবে। কমিশন কী করবে সেটা বলেনি। আমরা তো আর কমিশনকে বলতে পারি না কিছু। ভরসা রাখতে হবে।” নির্বাচন কমিশনের ভিতরে কী কথা হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে ঋতব্রত স্পষ্ট বলেন,”কমিশনে কী কথা হয়েছে বলব না।”
