Nandigram BJP Candidate: সেদিন ‘রথ’ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক, নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে চন্দ্রনাথের মা বললেন কী প্ল্যান চলছিল
Chandranath's mother Remark on Abhishek: উপনির্বাচনে লড়াই করা নিয়ে তিনি বলেন, "নন্দীগ্রাম শুভেন্দুবাবুর ছেড়ে যাওয়া আসন নয়, তিনি এই আসনের জন্য সবসময় আছেন। উনি যা বলেন, তাই করেন। শুভেন্দুবাবু যেমন বলেছেন সকলের জন্য ছাদ, সকলের জন্য ভাত, তিনি এই কাজ করবেন।"

নন্দীগ্রাম: আর ক’দিন বাদেই উপনির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্মদিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানী রথ। ছেলে হারানোর শূন্যতার মধ্যেই লড়াই করতে হচ্ছে, বক্তব্য হাসিরানী দেবীর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, “বিরোধীরা অস্তিত্ব লড়াইয়ের জন্য লড়ছেন, আমরা লক্ষাধিক ভোটে জয়ের জন্য লড়ছি”।
গত মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানী রথ। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে, বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানী রথ।
এ’দিন রেয়াপাড়ায় বিধায়ক কার্যালয়ে দলের মন্ডল সভাপতি, পাঁচ মন্ডলের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিধায়ক, ১৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারপ্রাপ্ত তমলুক সাংগঠনিক জেলার নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি মলয় সিংহ সহ অন্যান্যরা।
প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা, হাসিরানী রথ বলেন, “এত কিছু আনন্দের মধ্যেও আমার মধ্যে একটা শূন্যতা আছে। আপনারা যারা সংগঠন করেন, তারা সবাই আমার ছেলেকে চিনতেন। ছেলের আত্মবলিদানের মধ্যেও আমাকে এই লড়াই লড়তে হচ্ছে।”
উপনির্বাচনে লড়াই করা নিয়ে তিনি বলেন, “নন্দীগ্রাম শুভেন্দুবাবুর ছেড়ে যাওয়া আসন নয়, তিনি এই আসনের জন্য সবসময় আছেন। উনি যা বলেন, তাই করেন। শুভেন্দুবাবু যেমন বলেছেন সকলের জন্য ছাদ, সকলের জন্য ভাত, তিনি এই কাজ করবেন। আমি প্রতিনিধিত্ব করলেও উনি সবসময় আপনাদের পাশে থাকবেন। আমি শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত প্রচেষ্টা করব।”
নিজের ছেলের সুবিচার পাওয়ার আশাও প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমার অভিভাবক, উনি যখন দায়িত্ব নিয়েছেন, আমি আমার ছেলের বিচার পাবো। সিবিআই তদন্ত করছে। আশা করি বিচার-বিহিত হবে। ভোটের কিছুদিন আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি সভায় বলেছিলেন, শুভেন্দুবাবুর রথকে উল্টো করে বাড়ি পাঠিয়ে দেবেন, আমরা তখন ভেবেছিলাম বিজয় রথ। তখন থেকেই হয়তো প্ল্যান-পোগ্রাম চলছিল। আমি বলেছিলাম, ভবানীপুরের হারটা মেনে নিতে পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই জন্যই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।”
প্রচারে উপস্থিত সৌমেন্দু অধিকারীও বলেন, “তৃণমূলের এখন অস্তিত্ব বাঁচানোর লড়াই চলছে। আমরা আমাদের মতো প্রচার করছি, লড়াই করছি। ১ লক্ষ ১০ হাজার ভোটে জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছি। সংখ্যালঘুরা তো আমাদের ভোট দেয় না, এই ভোটে তারা বিজেপিকে সুযোগ দিয়ে দেখুক। উন্নয়ন তো আর বাছবিচার করে হয় না।”
