Birbhum: ‘মুখে কাপড় গুঁজে দেয়’, মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা
TMC Leader Arrested in Birbhum: এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্ত্রী পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হওয়ায় অভিযুক্ত নেতা এলাকায় এতদিন দাদাগিরি করতেন। রাজ্যে পালাবদল হওয়ার পরও তাঁর স্বভাব বদল হয়নি। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

নলহাটি: জোর করে বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ। গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। ঘটনাটি বীরভূমের নলহাটি থানা এলাকার। ধৃত তৃণমূল নেতার স্ত্রী নলহাটির একটি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। আবার ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেছে বিজেপি।
নির্যাতিত মহিলার অভিযোগ, পরশু রাতে তিনি যখন বাড়িতে একা ছিলেন, তখন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়েন। মহিলার কথায়, “জোর করে ঢুকে পড়েছিলেন। তখন আমি আটকানোর চেষ্টা করি। আমার মুখে কাপড় গুঁজে দেয়। আমার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল।” তারপরই ওই তৃণমূল নেতাকে তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।
গতকাল নলহাটি থানার দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন ধৃতকে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এই ঘটনায় নলহাটি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্ত্রী পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হওয়ায় অভিযুক্ত নেতা এলাকায় এতদিন দাদাগিরি করতেন। রাজ্যে পালাবদল হওয়ার পরও তাঁর স্বভাব বদল হয়নি। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিজেপি।
এর আগে বীরভূমেরই নানুরে গত ৫ অগস্ট গভীর রাতে পাঁচিল টপকে বাড়িতে ঢুকে এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। গ্রামেরই কয়েক জন যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ। এরপর নির্যাতিতা বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পুলিশে অভিযোগ দায়েরের পর ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। নির্যাতিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
