Mutton Shop: কেজি প্রতি হাজার টাকা! ছুটির সকালে খাসির মাংসের দোকানে রেইড চালাচ্ছে বিজেপি… যা ধরা পড়ল
Islampur mutton fraud allegation: রবিবার ইসলামপুর বিজেপির টাউন সভাপতি চিত্রজিৎ রায়ের নেতৃত্বে দলের একাধিক নেতা শহরের বিভিন্ন মাংসের দোকানে যান এবং বিক্রিত মাংস পরীক্ষা করেন। বিজেপির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শহরের বিভিন্ন দোকানে খাসির মাংসের পরিবর্তে ছাগলের মাংস বিক্রি করা হচ্ছে।

দক্ষিণ দিনাজপুর: বাঙালি হিন্দু সমাজের একটি বিশাল অংশ আমিষভোজী। এমনকি দুর্গাপূজা বা কালিপূজার মতো প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলিতেও মাছ বা পাঁঠার মাংস ভোগের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার স্পষ্ট করেছেন যে, তাঁরা বাংলায় কারও খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করবেন না। তৃণমূল কংগ্রেস প্রায়শই বিজেপিকে ‘হিন্দি বলয়ের দল’ বা ‘নিরামিষাশী সংস্কৃতি জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার দল’ হিসেবে আক্রমণ করে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পরও বিজেপি স্পষ্ট করে দিয়েছে মাছ-মাংস খাওয়া, কোনও কিছুর ওপরেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে না। কিন্তু ছুটির সকালে হঠাৎ করেই খাসির মাংসের দোকানে ‘রেইড’ করা শুরু করল বিজেপি। কিন্তু কেন? খাসির মাংসের নামে ছাগলের মাংস বিক্রি করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার অভিযোগ তুলে রবিবার ইসলামপুর শহরের একাধিক মাংসের দোকানে অভিযান চালাল বিজেপি নেতৃত্ব। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রবিবার ইসলামপুর বিজেপির টাউন সভাপতি চিত্রজিৎ রায়ের নেতৃত্বে দলের একাধিক নেতা শহরের বিভিন্ন মাংসের দোকানে যান এবং বিক্রিত মাংস পরীক্ষা করেন। বিজেপির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শহরের বিভিন্ন দোকানে খাসির মাংসের পরিবর্তে ছাগলের মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ খাসির মাংসের নাম করে প্রতি কেজি প্রায় এক হাজার টাকা পর্যন্ত দাম নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।
চিত্রজিৎ রায় বলেন, “সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। খাসির মাংসের নামে অন্য মাংস বিক্রি করে অতিরিক্ত দাম আদায় করা হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলবে।”
অন্যদিকে, অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন এক মাংস ব্যবসায়ী মহম্মদ সালাম। তিনি বলেন, “আমাদের দোকানে খাসির মাংসই বিক্রি করা হয়। বিজেপির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।”
ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন নজর সাধারণ মানুষের।
