
মেখলিগঞ্জ: শোয়ার ঘর থেকে উদ্ধার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত দেহ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের জামলদহ। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে জামালদহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন। এ ঘটনায় মেয়েটির পরিবারের দিক থেকে কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে এক যুবককে। তাঁদের দাবি, কিছুদিন থেকেই স্থানীয় এক যুবক প্রতিনিয়ত মেয়েটিকে উত্যক্ত করত। এদিনও মেয়েটির ফোনে লাগাতার মেসেজ আসে। পুলিশেও দায়ের হয়েছে অভিযোগ। ঘটনার নেপথ্যে সেই যুবকের কোনও হাত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সোজা কথায় মৃত্যু ঘিরে ক্রমেই ঘনাচ্ছে রহস্য।
অন্যদিকে ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাড়ির লোকজন। নাবালিকার মৃতদেহ নিয়ে রাস্তা আটকে চলতে থাকে বিক্ষোভ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই প্রতিবাদে যোগ দেন আশপাশের এলাকার লোকজনও। ছুটে আসে পুলিশ। তখন পুলিশের সঙ্গে বিস্তর বাদানুবাদও হয় বিক্ষোভকারীদের। ব্যাপক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। রাস্তাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশের বিরুদ্ধে। বিক্ষোভস্থল থেকেই পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে সরব হয়েছে নাবালিকার পরিাবারের সদস্যরা। পুলিশি তদন্ত নিয়ে তোলা হচ্ছে প্রশ্ন।
সম্প্রতি এই একই এলাকায় এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। সে ঘটনাতেও উত্তাল হয়ে উঠেছিল মেখলিগঞ্জ। গ্রেফতারও করা হয় অভিযুক্তকে। এবার নতুন করে এ ঘটনায় চাপানউতোর তৈরি হয়েছে এলাকায়। এদিন আবার