Madhyamik Examination 2026: মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ, আতঙ্কে সিঁটিয়ে গেল পরীক্ষার্থীরা

Blast During Madhyamik Exam: পুলিশ কর্মীরাই জ্বলন্ত সিলিন্ডারটি দ্রুত টেনে স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা চাপা দিয়ে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে।

Madhyamik Examination 2026: মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ, আতঙ্কে সিঁটিয়ে গেল পরীক্ষার্থীরা
প্রতীকী ছবি Image Credit source: ChatGPT

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 02, 2026 | 4:32 PM

তুফানগঞ্জ: মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। যদিও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। 

সোমবার নির্ধারিত সময়েই নাককাটি গাছ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে চলে গিয়েছিল পরীক্ষার্থীরা। সেখানে বালাভূত হাই স্কুল, বালাভূত বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠ এবং কৃষ্ণপুর স্কুলের মোট ২০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছিল বলে জানা যায়। সূত্রের খবর, পরীক্ষা শুরু হতে যখন আর মিনিট দশেক বাকি তখন স্কুলের পাশেই থাকা স্কুলের ক্যান্টিনে চা তৈরির সময় আচমকাই একটি গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্কুল চত্বরে। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা দ্রুত সাহসিকতার পরিচয় দেন। 

পুলিশ কর্মীরাই জ্বলন্ত সিলিন্ডারটি দ্রুত টেনে স্কুল ভবনের বাইরে মাঠের মাঝখানে নিয়ে যান। ভিজে বস্তা চাপা দিয়ে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। খবর দেওয়া হয় তুফানগঞ্জ দমকল কেন্দ্রে। কিন্তু দমকল বাহিনী পৌঁছানোর আগেই বিকট শব্দে সিলিন্ডারটি ফেটে যায়। ততক্ষণে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়াদের মধ্যে। বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্কিত পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা ছেড়ে স্কুলের মাঠে বেরিয়ে আসে।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তুফানগঞ্জ মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি, এসডিপিও কান্নেধারা মনোজ কুমার সহ জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল বসাক জানান, “পুলিশের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। বিস্ফোরণটি ফাঁকা মাঠে হওয়ায় কেউ আহত হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা পুনরায় শান্তভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।” প্রশাসনের এই ত্বরিত পদক্ষেপে বড়সড় বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় হাফ ছেড়ে বেঁচেছেন অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই স্কুল থেকে রিপোর্ট নিয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ।