Voter List: দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, সেই পাঁচ বাংলাদেশিদের নামও ভারতের ভোটার তালিকায়?
Voter List: বাংলাদেশি ছিট মহলের বাসিন্দারা কীভাবে ভারতের ভোটার লিস্টে নাম তুলতে সক্ষম হলেন ? কারা এই সব বাংলাদেশিদের নাম ভোটার তালিকায় তুলেছিল? এই নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ।

শীতলকুচি(কোচবিহার): ছাব্বিশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এ বাংলায় ভূতুড়ে ভোটার ইস্যু অন্য়তম মাথার ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শাসকদল তৃণমূলের। এই আবহে এবার সামনে এল বিস্ফোরক খবর। কোচবিহারের শীতলকুচি বিধানসভার পাঁচ বাংলাদেশির নাম মিলল ভোটার তালিকায়। দেশ ছেড়ে চলে গেলেও এখনও ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে এই পাঁচ বাংলাদেশির।
জান যাচ্ছে, কোচবিহারের শীতলকুচির বড় কৈমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নলগ্রাম (পূর্বের বাংলাদেশি ছিটমহল ) এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মহাবুল হোসেন। আত্মীয় শফিকুল সহ এলাকার চারজন ব্যক্তি বিগত দিনে বড় কৈমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নল গ্রামে বসবাস করতেন বলে খবর। পরবর্তীতে ছিটমহল বিনিময়ের সময়ে এই ৫ জন বাংলাদেশে চলে যান বলে খবর। বর্তমানে তাঁরা বাংলাদেশেই বসবাস করছেন। কিন্তু এদের নাম রয়েছে ভারতের ভোটার লিস্টে বলে জানা গিয়েছে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন।
বাংলাদেশি ছিট মহলের বাসিন্দারা কীভাবে ভারতের ভোটার লিস্টে নাম তুলতে সক্ষম হলেন ? কারা এই সব বাংলাদেশিদের নাম ভোটার তালিকায় তুলেছিল? এই নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ।
এই বিষয়ে নজরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে মহাবুল ইসলাম জানান, “নাম গুলো ডিলিট করার ভাবনা ছিল। কিন্তু কোনও কারণে এখনও পর্যন্ত হয়ে ওঠেনি।” যদিও, এই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য কোভির হোসেন বলেন, “শফিকুলরা এই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। সিট বিনিময়ের সময় তারা ওপারে চলে যান।” বর্তমানে তারা বাংলাদেশের বাসিন্দা। তবে নামগুলো কেন রয়ে গিয়েছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এ বিষয়ে স্থানীয় শীতলকুচি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তপন কুমার গুহ বলেন, “এরকম বিষয় শুধু নল গ্রামে নয়, বিভিন্ন জায়গা আছে। বিষয়টি স্থানীয় অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতিদের বলা হয়েছে দেখার জন্যে।” যদিও, এই বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছেন শীতলকুচি বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক বরেনচন্দ্র বর্মণ। তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এভাবেই সরকারে এসেছেন। ভুয়া ভোট ছাপ্পা ধাপ্পা দিয়েই এই সরকার তৈরি হয়েছে।”

