BJP leader: নেই তথ্য-প্রমাণ, নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় বেকসুর খালাস বিজেপি নেতা
BJP leader: গত বছরের অক্টোবর মাসে কুমারগঞ্জের বটুন গ্রামপঞ্চায়েতের কেশবপুর গ্রামের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল পতিরাম থানায়। সেই অভিযোগ পেয়ে পতিরাম থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করে।

বালুরঘাট: তথ্য-প্রমাণ না থাকায় নাবালিকা ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যকে বেকসুর খালাস করল বালুরঘাট জেলা আদালত। শুক্রবার কুমারগঞ্জ ব্লকের বটুন গ্রাম পঞ্চায়েতের শান্তুনু চৌধুরী নামে ওই বিজেপি নেতাকে সংবর্ধনা দিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি। বিজেপি নেতা বেকসুর খালাস হতেই তীব্র আক্রমণ করল তৃণমূলকে। বিজেপির দাবি, শান্তুনু চৌধুরী দু’বারের জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য তথা বটুন গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরোধী নেতা। তাই তাঁকে তৃণমূল মিথ্যা ধর্ষণের মামলায় ফাঁসিয়েছিল। গত বছরের অক্টোবর মাসের ওই মামলায় জেল হেফাজতেও ছিলেন ওই বিজেপি নেতা। যা নিয়ে জেলার রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছিল। তৃণমূলের তরফেও লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিলই। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার রায় দিয়েছে আদালত।
এই রায় ঘিরেই নতুন করে শোরগোল পড়েছে জেলায়৷ যদিও তৃণমূলের দাবি, এই মামলায় তৃণমূলের কোনও হাত ছিল না। প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবর মাসে কুমারগঞ্জের বটুন গ্রামপঞ্চায়েতের কেশবপুর গ্রামের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল পতিরাম থানায়। সেই অভিযোগ পেয়ে পতিরাম থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করে। সেই ঘটনায় প্রথমে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। পরে পতিরামেও বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সেই ঘটনাকে হাতিয়ার করে নানা জায়গায় প্রচারও চালায় শাসকদল। সেই ঘটনার রায় বেরতেই ফের আলোড়ন পড়েছে জেলার রাজনীতিতে।
এবিষয়ে বালুরঘাট জেলা আদালতের সরকারি আইনজীবী ঋতব্রত চক্রবর্তী বলেন, এই মামলায় তথ্য প্রমাণ না থাকায় আদালত অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করেছে। অন্যদিকে জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি সুভাষ চাকি বলছেন, “আইনের প্রতি আমার আস্থা আছে। আমার দলের আস্থা আছে। বিচার ব্যবস্থার সমালোচনা করার অধিকার আমার নেই।”
