SIR: এসআইআর আতঙ্ক? ফের বাংলায় মৃত্যু

পরিবার ও তৃণমূলের অভিযোগ, দুই ছেলের নাম প্রথম তালিকায় না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। সকলকেই বলে বেড়াতে দুই ছেলের কী হবে। দুই ছেলেই কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। তিনজনই শুনানির ডাক পেয়েছিলেন। তবে, চণ্ডীচরণের নাম তালিকায় আসলেও বড় ছেলে নিত্যানন্দ বর্মনের নাম ডিলিট হয়ে যায়।

SIR: এসআইআর আতঙ্ক? ফের বাংলায় মৃত্যু
মৃত্যু ব্যক্তিরImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Mar 15, 2026 | 4:34 PM

হিলি: এসআইআর আক্রান্তের ফের মৃত্যু। এবারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি ব্লকের ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঈশ্বরপাড়া এলাকার ঘটনা। পরিবারের দাবি, এসআইআর আতঙ্কে রবিবার সকালে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে মৃত্যু হয় ওই গ্রামের বাসিন্দা চণ্ডিচরণ বর্মণের (৬৮)। জানা যাচ্ছে, SIR-এর প্রথম চূড়ান্ত তালিকায় চণ্ডীচরণ বর্মনের নাম থাকলেও তালিকায় নাম নেই তার দুই ছেলের। বড় ছেলের নাম ডিলিট ও ছোট ছেলের নাম বিচারাধীন এসেছে ৷ যা নিয়ে চিন্তায় ও আতঙ্কে ছিলেন তিনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের এক দিন পরেই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন চণ্ডী চরণ বর্মন। সেই সময় তাকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাঁচ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়ে বাড়ি যান। এদিকে, গতকাল রাতে দ্বিতীয়বার হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। বিকেলেই তড়িঘড়ি বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং রবিবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে দেহটি বাড়ির উদ্দেশ্যে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা।

পরিবার ও তৃণমূলের অভিযোগ, দুই ছেলের নাম প্রথম তালিকায় না থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। সকলকেই বলে বেড়াতে দুই ছেলের কী হবে। দুই ছেলেই কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। তিনজনই শুনানির ডাক পেয়েছিলেন। তবে, চণ্ডীচরণের নাম তালিকায় আসলেও বড় ছেলে নিত্যানন্দ বর্মনের নাম ডিলিট হয়ে যায়। এবং ছোটো ছেলে আদিত্য বর্মনের নাম বিচারধীনে রয়েছে। পেশায় কৃষক এর আগে কখন হাসপাতালে ভর্তি হননি। এমনকী কোনও অসুখও ছিল না। হঠাৎ করে দুই ছেলের নাম ভোটার তালিকায় না থাকায় আতঙ্কে ছিলেন।

এদিকে বিষয়টি জানতে পেরেই এদিন দুপুরে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে যান তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা ঘোষ। এছাড়াও মৃতের বাড়িতে যান হিলি ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বরা। মৃতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন অর্পিতা ঘোষ। বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের কারণেই সাধারণ মানুষদের এসআইআরের নামে হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে, আতঙ্কের মুখে পড়তে হচ্ছে। এই মৃত্যুর দায় বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে।

যদিও, তৃণমূলের দাবিকে খণ্ডন করেছে বিজেপি। বিজেপি বা নির্বাচন কমিশনের জন্য নাম ডিলিট বা বিচারাধীন হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেস উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের কাজে লাগিয়ে নাম বাতিল বা বিচারাধীন করেছে। প্রত্যেক মৃত্যুই দুঃখজনক।

Follow Us