SIR: বাংলায় ফের মৃত্যু SIR আতঙ্কে? বৃদ্ধের পরিণতিতে কান্নায় পাথর গোটা পরিবার

South Dinajpur: পরিবার বলছে, জন্মসূত্রে তিনি ভারতীয়। প্রথমে বাড়ি ছিল রামরামপুরে। ২০০২ সালেই তিনি পাশের গ্রাম মির্জাপুর জামলাবাদে চলে আসেন। তিনি ধাইনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের জমিদাতাও ছিলেন। ২০০২ এর আগে একাধিকবার ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু কী করে নাম বাদ গেল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

SIR: বাংলায় ফের মৃত্যু SIR আতঙ্কে? বৃদ্ধের পরিণতিতে কান্নায় পাথর গোটা পরিবার
দক্ষিণ দিনাজপুরImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 15, 2026 | 9:19 AM

তপন: এসআইআর (SIR) আতঙ্কে অসুস্থ। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল ষাটোর্ধ এক বৃদ্ধের। মৃতের নাম ফয়েজউদ্দিন সরকার(৬৭)। বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন থানার চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মির্জাপুর জামলাবাদে। বুধবার বিকেলে মৃতদেহ সৎকার করা হয়। পরিবার ও শাসক দলের দাবি, এসআইআর আতঙ্কেই ওই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এনিয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের নিকট কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। যে কোনও মৃত্যুকেই তৃণমূল কংগ্রেস সার আতঙ্কে মৃত্যু বলে দাবি করছে। এখন ওরা মৃত্যু নিয়েও রাজনীতি করছে।

পরিবার সূত্রে খবর, ৬৭ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধের নাম ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে না থাকায় গতকাল এসআইআরের শুনানিতে ডাক পড়েছিল। সেই মতো তপন ব্লক অফিসে শুনানিতেও গিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের অভিযোগ, শুনানি থেকে বাড়ি ফিরতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ফয়েজউদ্দিন সরকার। সন্ধ্যায় বিষয়টি জানতে পেরেই সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে তপন গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থা স্থিতিশীল না হওয়ায় রাতেই গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এরপর রাতেই গঙ্গারামপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখানে ভর্তির ঘণ্টা দেড়েক পর তিনি মারা যান।

পরিবার বলছে, জন্মসূত্রে তিনি ভারতীয়। প্রথমে বাড়ি ছিল রামরামপুরে। ২০০২ সালেই তিনি পাশের গ্রাম মির্জাপুর জামলাবাদে চলে আসেন। তিনি ধাইনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের জমিদাতাও ছিলেন। ২০০২ এর আগে একাধিকবার ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু কী করে নাম বাদ গেল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। পরিবারের আরও দাবি স্থানীয় স্কুলে পড়াশুনার সার্টিফিকেট থাকা সত্বেও এসআইআর’এর শুনানিতে ডাক পড়েছিল। এসআইআরের আতঙ্কেই তিনি মারা যান বলে পরিবারের অভিযোগ। অন্যদিকে এনিয়ে জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল জানিয়েছেন,এনিয়ে কোনও অভিযোগ তারা পাননি। মৃতের আত্মীয় তথা তৃণমূল নেতা আমিরুল ইসলাম বলেন, “খালি এসআইআর এর চিন্তা করত। অথচ উনি ভারতের নাগরিক। আজ তাকে এসআইআর-এর নোটিস পেতে হল।”