Banshihari: কোদাল ঠেকতেই শব্দ, পাতাল থেকে উঠে এল দেব-দেবী…
Banshihari: প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কাজ করার সময় হঠাৎ এই মূর্তিটি পান। বহু পুরনো দিনের মূর্তি বুঝলাম। এক সময় হয়ত পুজোও হতো। সরস্বতী-লক্ষ্মীর মূর্তি বলে দাবি এলাকার লোকজনের। তাঁরা বলছেন, এবার থেকে এটি গ্রামে পুজোও করবেন। এটি কাউকে দেবেন না।

দক্ষিণ দিনাজপুর: মাটি কাটার কাজ চলছিল। কিছু দূর কোদাল চালানোর পরই কেমন যেন একটা ঠেকল। এরপরই দেখা যায় মাটির নীচে পুরনো একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি। বুনিয়াদপুর পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের আমবই এলাকার সন্ন্যাসীতলায় এই ঘটনা ঘিরে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ছুটে আসেন এলাকার লোকজন।
প্রায় একমাস আগে মাটি কাটার মেশিন দিয়ে মাটি খোঁড়া হচ্ছিল তালু হেমব্রমের জমিতে। মাসখানেক ধরে মাটি কাটা হলেও এখন মাটি সমান করার কাজ শুরু হয়েছে। ৩-৪ জন শ্রমিক মাটি সমান করার কাজ করছেন দু’ তিনদিন ধরে। মাটি সমান করার সময় তাঁদের কোদালের মাথায় কী যেন একটা ঠেকে। এরপরই তাঁরা দেখেন কষ্টিপাথরের মূর্তি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কাজ করার সময় হঠাৎ এই মূর্তিটি পান। বহু পুরনো দিনের মূর্তি বুঝতে পারেন। এক সময় হয়ত পুজোও হতো বলে মনে করছেন তাঁরা। একসঙ্গে সরস্বতী-নারায়ণ-লক্ষ্মী মূর্তি বলে দাবি এলাকার লোকজনের। তাঁরা বলছেন, এবার থেকে এটি গ্রামে পুজোও করবেন। এটি কাউকে দেবেন না।
একেবারে কাদামাটিতে ঢাকা ছিল মূর্তিটি। সেটিকে তুলে ভাল করে জল দিয়ে ধুয়ে নেন এলাকার লোকজন। পাথরের মূর্তিটির বামদিকে রয়েছে সরস্বতী এবং ডানদিকে লক্ষ্মী। এছাড়াও মূর্তিটির মাঝখানে রয়েছে নারায়ণের পদচিহ্ন। সন্ন্যাসীতলায় একটি গাছের ধারে রেখে মূর্তিটি পুজোও করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মূর্তি উদ্ধারের খবর পেয়ে বংশীহারি থানার পুলিশ এলেও মূর্তিটি এলাকার লোকজন নিয়ে যেতে দেননি।
