SIR in Bengal: বাড়ি ফেরার পথে ট্রেন থেকে নেমে গলায় ফাঁস, SIR আতঙ্কের কথা বলছে পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবার
Migrant Worker: খবর যায় পুলিশের কাছে। পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মঙ্গলবার ওই ঘটনা ঘটলেও অবশেষে এদিন সুভাষের দেহ বাড়িতে এসে পৌঁছায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এসআইআর আতঙ্কের জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওই পরিযায়ী শ্রমিক। একই দাবিতে এসআইআর নিয়ে সুর চড়িয়ছে তৃণমূলও।

গঙ্গারামপুর: এসআইআর আতঙ্কে একের পর এক মৃত্যুর খবরে চাপানউতোর ক্রমেই তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক আঙিনায়। এরইমধ্যে আবার একই ঘটনায় চলন্ত ট্রেন থেকে নেমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক পরিযায়ী শ্রমিক। মৃতের নাম সুভাষ হেমব্রম(৩০)। বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার অশোক গ্রাম পঞ্চায়েতের কামাতপাড়ায়। ঘটনায় শোকের ছায়া গোটা এলাকায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই পরিযায়ী শ্রমিকের নিথর দেহ বাড়িতে আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। চাপানউতোর চলছে রাজনৈতিক আঙিনাতেও।
এদিন দুপুরে ওই পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে যান জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মফিজউদ্দিন মিঁঞা সহ অন্যান্য নেতারা। দলের তরফে সবরকমভাবে ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্য ও শাসকদলের নেতারা বলছেন, বৃহস্পতিবার এসআইআর শুনানিতে ডাক এসেছিল সুভাষের। বিষয়টি জানতে পেরে গত ১১ তারিখ তিনি বাড়ি ফেরার জন্য গোয়া থেকে ট্রেন ধরেন। ভুবনেশ্বরের কাছে ফাঁকা এলাকায় ট্রেনটি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে যায়। এদিকে ট্রেন লেট হওয়ায় বাড়ি ফিরতে পারবেন কিনা তা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সুভাষ। ওই এলাকাতেই ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। পাশেই একটি গাছে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেন। ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।
খবর যায় পুলিশের কাছে। পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মঙ্গলবার ওই ঘটনা ঘটলেও অবশেষে এদিন সুভাষের দেহ বাড়িতে এসে পৌঁছায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, এসআইআর আতঙ্কের জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ওই পরিযায়ী শ্রমিক। একই দাবিতে এসআইআর নিয়ে সুর চড়িয়ছে তৃণমূলও। যদিও শাসকদলের অভিযোগ মানতে নারাজ গঙ্গারামপুর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায়। তাঁর কথায়, তৃণমূল যে কোনও মৃত্যু নিয়েই এখন রাজনীতি করছে। তিনি বলছেন, ওই পরিযায়ী শ্রমিক অন্য কোনও কারণে আত্মঘাতী হয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু, মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।
