School Student: ‘ড্রেস চেঞ্জ না করেই ঘরে ঢুকে এই কাণ্ড করে ফেলল’, নাবালিকার মৃত্যুতে স্কুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
Complaint against School: কাঁদতে কাঁদতেই মা বলছেন, “মেরে মেরে গালগুলো লাল করে দিয়েছিল। আমাকে যখন স্কুল থেকে ফোন করা হয়েছিল তখনও শুনতে পাচ্ছিলাম আমার মেয়ে কাঁদছে। আমি চাই ওই ম্য়ামের শাস্তি হোক।” মৃত ছাত্রীর মামা বলছেন, “ওর মা মাকে ভর্তি করবে বলে কাজেও যায়নি। ভাগ্নি বলেছিল বাড়িতে ফোন করবে তারপর ওর মা যাবে। ও বাচ্চা মেয়ে। ও যদি কোনও ভুল করে তাহলে তো অভিভাবকদের ডাকবে।”

মাটিগাড়া: মাটিগাড়ায় এক স্কুলছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ। বাড়িতে আত্মঘাতী ওই ছাত্রী। স্কুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের পরিবারের। যদিও মারধরের অভিযোগ মানতে নারাজ স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মাটিগাড়ার বাসিন্দা সুনিতা বর্মনের অভিযোগ, শনিবার তাঁর মেয়ের নবম শ্রেণিতে ভর্তির কথা ছিল। কিন্তু স্কুলে গেলেও তাকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। উল্টো ছাত্রীকে মারধর করা হয়। এরপরই বাড়িতে ফিরে আত্মঘাতী হয় প্রিয়া রায় নামে ওই ছাত্রী।
কাঁদতে কাঁদতেই মা বলছেন, “মেরে মেরে গালগুলো লাল করে দিয়েছিল। আমাকে যখন স্কুল থেকে ফোন করা হয়েছিল তখনও শুনতে পাচ্ছিলাম আমার মেয়ে কাঁদছে। আমি চাই ওই ম্য়ামের শাস্তি হোক।” মৃত ছাত্রীর মামা বলছেন, “ওর মা মাকে ভর্তি করবে বলে কাজেও যায়নি। ভাগ্নি বলেছিল বাড়িতে ফোন করবে তারপর ওর মা যাবে। ও বাচ্চা মেয়ে। ও যদি কোনও ভুল করে তাহলে তো অভিভাবকদের ডাকবে। কিন্তু সেটা না করে মারধর করেছে। ভর্তিও নেয়নি। অথচ আমার ভাগ্নির রেজাল্ট সবই ঠিক ছিল। ও ভালভাবেই পাশ করেছিল। স্কুল থেকে ভাগ্নি ফিরে ড্রেসও খোলেনি। সোজা ঘরে ঢুকে এই কাণ্ড করে ফেলেছে।”
যদিও মারধরের অভিযোগ মানতে নারাজ স্কুল। স্কুলের তরফে প্রধান শিক্ষিকা দেবযানী বর্ধন জানান, মার্কশিটে কলম চালিয়েছিল ওই ছাত্রী। তাই অভিভাবককে নিয়ে স্কুলে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ছাত্রী গতকাল একাই স্কুলে আসায় স্কুলের এক শিক্ষিকা মোবাইলে তার মায়ের সঙ্গেও কথা বলেন। কিন্তু ওকে মারধর করা হয়নি।
