North Bengal: অভিষেকের ৩০০-র পাল্টা রাজুর ৩৫০! চা বলয়ে শুরু ‘দড়ি টানাটানি’

Siliguri: এর ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রীকে হাজির করিয়ে চা শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিজেপি। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যেমন নতুন শ্রম আইন চা শ্রমিকদের উন্নয়নে কতটা সহায়ক হবে তার ফিরিস্তি দেন,তেমনি সাংসদ রাজু বিস্তা ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ অভিষেকের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শানান।

North Bengal: অভিষেকের ৩০০-র পাল্টা রাজুর ৩৫০! চা বলয়ে শুরু দড়ি টানাটানি

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jan 04, 2026 | 2:19 PM

শিলিগুড়ি: ছাব্বিশের ভোটের আগে নজরে নজরে উত্তরবঙ্গ। চা বলয়ের রাজনীতি নিয়ে যুযুধান তৃণমূল ও বিজেপি দুই পক্ষই। চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি তিনশো টাকা করার প্রতিশ্রুতি অভিষেকের। শনিবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে কেন্দ্রকে তোপ দেগেছিলেন অভিষেক। একদিন পরই পাল্টা জবাব দিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। দার্জিলিংয়ের সাংসদের দাবি, না জেনেই মিথ্যা কথা যত। অভিষেকের তিনশো টাকার পাল্টা সাড়ে তিনশো টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাজু বিস্তার।

শনিবার আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্র চা শ্রমিকদের উন্নয়নে কিছুই করছে না। সভামঞ্চ থেকে স্থানীয় বিধায়ক ও সাংসদদের পারফর্মেন্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। শুধু প্রশ্ন নয়, অভিষেক বলেন, “আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার আগে মজুরি ছিল ৬০ টাকা। ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ২৫০ টাকা করা হয়েছে। আমি জানি এই টাকায় ঘর-সংসার চলে না। এরপরই তিনি আশ্বাস দেন, ৩-৪ মাসের মধ্যে নতুন সরকার গঠন হলে প্রথম প্রায়োরিটি হবে আলিপুরদুয়ার।” অভিষেক বলেন,”দরকার হলে আবার আসব। অথবা সিনিয়র কাউকে পাঠাব। রাজ্য সরকার, লেবার ইউনিয়ন আর চা বাগানের ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক মিটিং হবে। ৩০০ টাকা ডেইলি ওয়েজ করে দেওয়া হবে।”

এর ২৪ ঘণ্টাও কাটল না। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রীকে হাজির করিয়ে চা শ্রমিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিজেপি। সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যেমন নতুন শ্রম আইন চা শ্রমিকদের উন্নয়নে কতটা সহায়ক হবে তার ফিরিস্তি দেন,তেমনি সাংসদ রাজু বিস্তা ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ অভিষেকের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শানান। বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্র নয়,রাজ্যই নূন্যতম মজুরি আইন কার্যকর করে না। যার জেরে শ্রমিকেরা বঞ্চিত। অভিষেক ওই সভায় ঠিক মতো পড়ে আসেননি বলেই ভুল বলেছেন।

রাজু বলেন, “চা বাগানের শ্রমিকদের শোষণ বন্ধ হবে। নূন্যতম মজুরি ২৫০ থেকে ৩৫০ হবে। কমপক্ষে ৩০০ টাকা ক্যাশ দিতেই হবে। দেরী হলে বেশি দিতে হবে। পিএ, সোশ্যাল সিকিউরিটি সব কিছুর ব্যবস্থা করা হবে।” মেয়র গৌতম দেব বলেন, “বামদের সময় যা মজুরি ছিল সব বাড়ানো হয়েছে। অভিষেক বলেছেন ৩০০ টাকা করে চা শ্রমিকদের মজুরি নিশ্চিত করা যায় সেটা দেখবেন বলেছেন। কিন্তু কেন্দ্র কিছুই করে না।”