Rail News: ভোটের গণনা হয়নি, তার আগেই বুলডোজার চলল বাংলায়
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন ঘোষণার আগেই রেলপাড়ের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে উচ্ছেদের নোটিস জারি করা হয়েছিল। তবে সেই সময় কোনও ভাঙচুর বা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়নি। এরপর ২৯ তারিখ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরের দিনই আবার নতুন করে নোটিস দেওয়া হয় রেলের তরফে।

পান্ডুয়া: রাত পোহালেই ভোট গণনা। কিন্তু তার আগেই বাংলায় চলল বুলডোজার। জানা যাচ্ছে, পান্ডুয়ায় বুলডোজার চালালো রেল। যার জেরে গৃহহীন অনেকে। শনিবার প্রায় মধ্য রাতে অন্ধকারেই জেসেবি নিয়ে নেমে পড়েন রেল কর্তৃপক্ষ। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় দোকান বাড়ি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন ঘোষণার আগেই রেলপাড়ের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে উচ্ছেদের নোটিস জারি করা হয়েছিল। তবে সেই সময় কোনও ভাঙচুর বা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়নি। এরপর ২৯ তারিখ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পরের দিনই আবার নতুন করে নোটিস দেওয়া হয় রেলের তরফে।
কী লেখা ছিল ওই নোটিসে?
বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, এক দিনের মধ্যে রেলপাড়ের বস্তি এলাকা খালি করতে হবে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেকেই তাঁদের দোকান ও ঘরবাড়ি খালি করে দেন। কিন্তু বহু পরিবারের পক্ষে বিকল্প আশ্রয় খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর শনিবার রাতে হঠাৎ করেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলে বিপাকে পড়েন সেই সব মানুষজন। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় তারা একেবারে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। বহু মানুষের চোখে জল, অনেকে রাস্তায় বসেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, “ভোটের আগে আমাদের উচ্ছেদ করা হয়নি, কারণ তখন আমাদের ভোট দরকার ছিল। এখন ভোট শেষ। তাই তড়িঘড়ি উচ্ছেদ চালানো হচ্ছে।” তাঁদের দাবি, কয়েকদিন সময় দিলে অন্তত বিকল্প ব্যবস্থা করা যেত। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। যদিও রেল কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ বাহিনী। গৃহহীন পরিবারগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তার পাশাপাশি পুবর্বাসনের দাবি উঠছে। কারণ তার বহুদিন ধরে বসবাস করেছেন এই জায়গায়।
