Noapara BJP Leader Attack: নোয়াপাড়ায় দুষ্কৃতীদের নিশানায় বিজেপি নেতা, তৃণমূলের তৃণাঙ্কুর বলছেন ‘গটআপ’
West Bengal political violence 2026: যাকে টার্গেট করা হয়েছিল সেই কুন্দন সিং আবার বিজেপির ব্য়ারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদকও বটে। কুন্দন বলছেন, “কেন আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে জানি না। যাঁরা এসেছিল তাঁগের মধ্যে দুজনকে আইডেন্টিফাই করে এফআইআর করেছি।”

নোয়াপাড়া: ভোটের ফলপ্রকাশের আগে দিন নোয়াপাড়ায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য। বিজেপি নেতা কুন্দন সিংয়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর নোয়াপাড়ার রাজনৈতিক মহলে। সামনে এসেছে সিসিটিভি ফুটেজ। তাতেই দেখা যাচ্ছে দু’জন দুষ্কৃতী প্রথমে বাইকে চড়ে কুন্দন সিংয়ের বাড়ির সামনে আসে। একজন নেমেই বন্দুক তাক করে এগিয়ে যায়। কাজ সেরেই আবার চোখের পলকেই আবার সেখান থেকে চলেও যায়। এ ঘটনায় যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
যাকে টার্গেট করা হয়েছিল সেই কুন্দন সিং আবার বিজেপির ব্য়ারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদকও বটে। কুন্দন বলছেন, “কেন আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে জানি না। যাঁরা এসেছিল তাঁগের মধ্যে দুজনকে আইডেন্টিফাই করে এফআইআর করেছি। একজন আকাশ চৌধুরী গোলু, অন্যজন আমন চৌধুরী। এরা সব তৃণমূল করে। তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য এদের মিষ্টি খাওয়াচ্ছে সেই ছবিও তো রয়েছে।”
কুন্দনের দাবি, ভোটের আবহে এরা এখানে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু এতে কোনও লাভ হবে না। বিজেপির কেউ এতে ভয় পাচ্ছে না। অন্যদিকে নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য স্পষ্ট বলছেন তিনি চেনেন না দুষ্কৃতীদের। তাঁর কথা, “আমি এদের পরিচয় জানি না। যদি এরা আমার ঘনিষ্ঠ হয় বা যারই ঘনিষ্ঠ হোক প্রথমে এদের গ্রেফতার করা দরকার। গতকাল রাতে আমার একজন সমর্থকের উপর আক্রমণ হয়। তারপর জানতে পারি কুন্দনবাবুর বাড়িতেও আক্রমণ হয়। এটা যদি গটআপ না হলে আমি চাই পুলিশ এদের গ্রেফতার করুক। কারণ আমি নোয়াপাড়ায় শান্তি চাই।”
যদিও এরপরেই বিজেপির বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছেন তিনি। বলেছেন, “আমার কাছে খবর আছে এরা বিজেপির লোকজন। আমাদের সদস্যের উপর আক্রমণ করার পর কেসটা ছড়াতে পারে বুঝতে পেরে এই গটআপ করা হয়েছে।”
