AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Howrah News: ‘প্রাইভেট পার্টে হাত দিচ্ছে’, হাওড়ায় D.EL.ED পরীক্ষা দিতে আসা মহিলা শিক্ষকদের অন্তর্বাস খুলে চেকিং

Howrah: হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে পরীক্ষায় বসার আগে পরীক্ষার্থীদের শরীর তল্লাশি নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে। মহিলাদের জন্য মহিলা কর্মী এবং পুরুষদের জন্য পুরুষরা আলাদা জায়গায় চেকিং এর কাজ করছেন। কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Howrah News: 'প্রাইভেট পার্টে হাত দিচ্ছে', হাওড়ায় D.EL.ED পরীক্ষা দিতে আসা মহিলা শিক্ষকদের অন্তর্বাস খুলে চেকিং
হাওড়ায় বড় অভিযোগImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 12, 2026 | 4:58 PM
Share

হাওড়া: প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা পরীক্ষায় বসার আগে তাঁদের শরীর তল্লাশি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ। এক মহিলা শিক্ষিকা এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করলেন হাওড়ার সাঁকরাইল থানায়। পুলিশের পক্ষ থেকেও গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সাঁকরাইল গার্লস স্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে।

কী ঘটেছে?

গত ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ‘সাঁকরাইল গার্লস স্কুলে’ প্রাথমিক স্কুলের কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকারা ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন (D.EL.ED) পরীক্ষায় বসছেন। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা করে শরীরে তল্লাশি চালানো হয়। এই ব্যাপারে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রাইমারি এডুকেশন কাউন্সিলের’ পক্ষ থেকে একটি এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আজ ছিল পরীক্ষার শেষ দিন।

শিক্ষিকাদের একাংশের অভিযোগ, শরীর তল্লাশির সময় তাঁদের শরীরের ‘প্রাইভেট পার্টে’ হাত দিয়ে চেকিং করা হয়েছে। এমনকী, তাদের অন্তর্বাস পর্যন্ত খোলানো হয়েছে। চেকিংয়ের সময় ভিডিয়োগ্রাফি করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। এক শিক্ষিকা এই ব্যাপারে সাঁকরাইল থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।

হাওড়া সিটি পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে পরীক্ষায় বসার আগে পরীক্ষার্থীদের শরীর তল্লাশি নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে। মহিলাদের জন্য মহিলা কর্মী এবং পুরুষদের জন্য পুরুষরা আলাদা জায়গায় চেকিং এর কাজ করছেন। কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পরীক্ষার্থী কোয়েল দত্ত দে বলেন, “আমাদের পুরো অন্তর্বাস খুলে চেক করছে। প্রাইভেট পার্টে হাত দিচ্ছে। সকলেই এক কথা বলছে। সকলের একই কথা বলছেন।” হাওড়া জেলা ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিলীপ কুমার সাহা ফোনে বলেন, “এখনো পর্যন্ত আমি কোনও লিখিত অভিযোগ পাননি। যদি কোনও অভিযোগ পাই তবে তিনি নিজে তদন্ত করে দেখব।” স্কুল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছে।

Follow Us