AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

PM Modi: ২৫ বছর নিরবিচ্ছিন্ন নেতৃত্ব, মোদীকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

Narendra Modi 25 Years of Leadership: ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদী। টানা ২০১৪ সালের ২২ মে পর্যন্ত সেই পদে ছিলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। সরকারের প্রধান হিসেবে ২৫ বছর পূর্ণ করেছেন তিনি। 'দেশ ও দেশের নাগরিক সবার আগে' এই নীতিতে ২৫ বছর ধরে কাজ করে চলেছেন। তাঁর এই নিরবিচ্ছিন ২৫ বছরের নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ হল।

PM Modi: ২৫ বছর নিরবিচ্ছিন্ন নেতৃত্ব, মোদীকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীImage Credit: PTI
| Updated on: Oct 06, 2026 | 8:07 PM
Share

নয়াদিল্লি: সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছরের নেতৃত্ব সম্পূর্ণ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। এই প্রস্তাব কেবল আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন নয়, বরং ‘দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে’ নীতিতে পরিচালিত প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার স্বীকৃতি। গুজরাটে পরপর তিনটি বিপুল জনসমর্থন এবং পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে জয় তাঁর প্রতি সাধারণ মানুষের অবিচল আস্থার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে।

২০০১ সালে প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সরকারের প্রধান হন। সেখান থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন—এই দীর্ঘ যাত্রার মধ্যে যে ধারাবাহিকতা রয়েছে, তার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হয়েছে প্রস্তাবে।

১. গুজরাট থেকে গোটা দেশ, উন্নয়নের ভাবনার বিস্তার-

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, গুজরাটে সফল হওয়া একাধিক উদ্যোগকে জাতীয় স্তরে নিয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নাগরিকদের অভাব-অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য তাঁর চালু করা ‘স্বাগত’ (SWAGAT) কর্মসূচি ২০১০ সালে রাষ্ট্রসংঘের পাবলিক সার্ভিস পুরস্কার পায়। পরবর্তীকালে এই উদ্যোগ থেকেই অনুপ্রেরণা নিয়ে চালু হয় ‘প্রগতি’ (PRAGATI)। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

একইভাবে, গুজরাটে কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ফিডার চালুর ‘জ্যোতিগ্রাম’ প্রকল্পের অভিজ্ঞতাও জাতীয় স্তরে উন্নয়নের মডেল হিসেবে কাজে লাগানো হয়েছে।

২. দরিদ্রদের প্রতি সহমর্মিতা থেকে মর্যাদাপূর্ণ জীবন-

দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করা মানুষের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সংবেদনশীলতার পিছনে রয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। মায়ের দৈনন্দিন সংগ্রাম দেখা এবং বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের সময় দারিদ্র্য ও বঞ্চনার অভিজ্ঞতা তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করেছে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই সাধারণ মানুষের জন্য বাড়ি, পানীয় জল, ব্যাঙ্কিং পরিষেবা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরা হয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৬০ কোটি জনধন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, ৪ কোটিরও বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কীভাবে জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে রূপ নিয়েছে, তার উদাহরণ হিসেবে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

৩. সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ক্ষমতায়ন-

মানুষ যাতে নিজের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে পারেন, সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের কথাও উঠে এসেছে প্রস্তাবে। প্রায় ৩.৫ কোটি মহিলা ‘লাখপতি দিদি’ প্রকল্পের আওতায় আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, মহিলাদের জন্য আইনসভায় আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’-এর কথাও বলা হয়েছে।

স্টার্টআপ, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা সংস্কারের মাধ্যমে যুবসমাজের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-KISAN) প্রকল্পে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিশেষভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীগুলির উন্নয়নে চালু হয়েছে ‘পিএম-জনমন’ (PM-JANMAN) প্রকল্প। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

৪. সংস্কারের পথে অবিচল নেতৃত্ব-

রাজনৈতিক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সংস্কারের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় অবস্থানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর বা GST চালু করা, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় সংস্কার এবং ঔপনিবেশিক আমলের আইনগুলির পরিবর্তনের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে তাঁর উদ্যোগের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আবেদনও সাধারণ মানুষকে পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দৃঢ় বিশ্বাস, জনঅংশগ্রহণ এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সংস্কারকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন মোদী।

৫. আত্মনির্ভর ভারতের ভিত গড়ে তোলা-

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি মূলধনী ব্যয়ের পরিমাণ ২ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি হয়েছে। পাশাপাশি, জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ এবং রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণেও গতি এসেছে।

ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বিকাশও দেশের নিজস্ব চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

৬. নাগরিক পরিষেবা থেকে মহাকাশ গবেষণা, প্রযুক্তির ব্যবহার-

সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি থেকে শুরু করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন—বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহারের উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, এমনই বলা হয়েছে প্রস্তাবে। জনধন অ্যাকাউন্ট, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়েছে। অন্যদিকে, UPI ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনেছে।

ভারতের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা ও আত্মনির্ভরতার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর পাশাপাশি, মহাকাশ গবেষণায় বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবন উন্নত করার পাশাপাশি দেশের সম্ভাবনাকে আরও প্রসারিত করাই এই ভাবনার মূল লক্ষ্য বলে প্রস্তাবে বলা হয়েছে।

দেখুন ভিডিয়ো-

৭. কঠিন সময়ে অবিচল নেতৃত্ব-

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মধ্যেও দেশকে সঠিক দিশা দেখানোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে প্রস্তাবে। কোভিড মহামারীর সময় দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, দেশীয় টিকা তৈরিতে সহায়তা এবং দ্রুত টিকাকরণের ব্যবস্থা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সংকটের সময়ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখার উদ্যোগের ফলে ভারত পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পেরেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির মোকাবিলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা গড়ে তোলার উপরও জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কঠিন সময়ে দেশের স্থিতিশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বজায় রাখতে এই নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।

৮. দৃঢ় নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা-

প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ২০১৯ সালের বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক এবং ২০২৫ সালের অপারেশন সিঁদুরকে জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভারতের কঠোর অবস্থানের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার, ‘ওয়ান র‍্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ (OROP) ব্যবস্থা চালু এবং চিফ অব ডিফেন্স স্টাফের পদ তৈরির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথাও উঠে এসেছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থানের পাশাপাশি উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং জনআস্থার উপরও গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

৯. আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের কণ্ঠ আরও জোরালো-

বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের পিছনে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কূটনৈতিক উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। জি২০ এবং ব্রিকসের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে ঐকমত্য গড়ে তোলা, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির স্বার্থ তুলে ধরা এবং আফ্রিকান ইউনিয়নকে জি২০-র সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিকে তাঁর কূটনৈতিক নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

‘ভ্যাকসিন মৈত্রী’ কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত অন্য দেশগুলিকেও টিকা সরবরাহ করে সাহায্য করেছে। প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে, ৩৬টি দেশ থেকে পাওয়া সম্মান আন্তর্জাতিক স্তরে প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও অবদানের স্বীকৃতি।

১০. ঐতিহ্য, উন্নয়ন ও পরিবেশের মধ্যে সমন্বয়-

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ভাবনায় দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, আত্মবিশ্বাস এবং পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় গুজরাটে পৃথক দফতর গঠন থেকে শুরু করে দেশে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির প্রসার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে, যোগ, মিলেট বা শ্রীঅন্নের প্রসার, কাশী বিশ্বনাথ ধামের পুনর্নির্মাণ এবং অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে মানুষের সংযোগ আরও দৃঢ় হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

সবশেষে, ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভর ও উন্নত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্টার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় এই লক্ষ্য পূরণের অঙ্গীকারের কথাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে।

Follow Us