
হুগলি: এবার চণ্ডিতলা! SIR-এর কাজ থেকে অব্যাহতি চেয়ে ERO-র কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন ৭৫ জন বিএলও (BLO)। তাঁদের অভিযোগ, একদিকে কাজের চাপ, অন্যদিকে তথ্যে অসঙ্গতি। সেই কারণ দেখিয়ে ঢুকছে হাজার হাজার নোটিস। যার জেরে সাধারণ মানুষের হয়রানি হচ্ছে। আর সেই কারণে অত্যাধিক কাজের চাপ সহ্য করতে না পারছেন না তাঁরা। প্রসঙ্গত, এর আগে হাওড়ায় ১৭ জন বিএলও ইস্তফা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তরফে প্রবল চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে ইস্তফা দিয়েছেন ওই বিএলও-রা। হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রের বাঁকড়া এক নম্বর এবং দুই নম্বর পঞ্চায়েতে এসআইআর-এ যাঁরা নিযুক্ত ছিলেন, তাঁরাই ইস্তফা দিয়ে এমনটা জানিয়েছিলেন। আর এবার সাধারণের কথা বলে হুগলিতে ইস্তফা বিএলওদের।
সোমবার দুপরে চণ্ডিতলা ১ নং বিডিও অফিসের সামনে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান BLO-রা। এরপরই লিখিত আকারে ERO-র কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন। BLO-দের অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম থাকলে শুনানিতে ডাকা হবে না বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে তারপরও সামন্য নামের বানান ভুল থাকার কারণে শুনানির নোটিস ধরানো হচ্ছে। সেই কারণে তাঁদের সাধারণ মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। এতে তাঁদের কাজও বাড়ছে। তারপরই ইস্তফাপত্র জমা দিয়ে দেন তাঁরা।
এক বিএলও বলেন, “এই যে মানুষগুলোকে নোটিস দিয়ে নিয়ে এসেছেন প্রশ্ন করছে মায়ের বয়সের সঙ্গে কেন কম। আগেকার দিনে তো কম বয়সে বিয়ে হত। এখন যদি কেউ তেরো বছরে বিয়ে করে আর চোদ্দ বছরে তাঁর সন্তান হয় তাহলে তাঁর দায় কি ভোটারের? এরপর নোটিস করে আনছে মহিলাদের বিয়ের আগে টাইটেল আর টাইটেল আলাদা কেন? একই ব্যক্তি প্রমাণ করতে বলেছে।”