Hooghly: মা আর মায়ের বান্ধবীর মাঝে কি কাঁটা হয়ে উঠেছিল ছোট্ট শ্রেয়াংশু? এবার সামনে ইফফাতের ছবিও
Konnagar: ইফফাতের যে ছবি সামনে এসেছে, তা দেখে কেউ ভাবতেই পারবেন না এমন নির্মমতার বীজ এই মুখের আড়ালে লোকানো থাকতে পারে। গায়ের রং ফর্সা, টিকালো নাক, পরিপাটি চুল, জিরো ফিগার, গভীর চোখের চাহুনি। শুধু পুলিশ নয়, মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাও এই ঘটনা নিয়ে ভাবছেন।

হুগলি: কোন্নগরে হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড। শিশু খুনে মা ও তাঁর বান্ধবীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন, ওই শিশুর মা শান্তা শর্মা ও বান্ধবী ইফফাত পারভিনের মধ্যে এমন কোনও সম্পর্ক ছিল, যেখানে কাঁটা হয়ে উঠছিল ৮ বছরের ছোট্ট শ্রেয়াংশু। সে কারণেই এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এখনই এই খুনের মোটিভ খুব স্পষ্ট নয় তদন্তকারীদের কাছে। গ্রেফতার হলেও এতদিন শান্তা শর্মাকে সকলে চিনলেও ইফফাতকে দেখা যায়নি। রহস্যময়ী হয়েই থেকে গিয়েছেন। অবশেষে সামনে এল তাঁর ছবি। তদন্তকারীদের অনুমান, পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে শ্রেয়াংশুকে।
তবে ইফফাতের যে ছবি সামনে এসেছে, তা দেখে কেউ ভাবতেই পারবেন না এমন নির্মমতার বীজ এই মুখের আড়ালে লোকানো থাকতে পারে। গায়ের রং ফর্সা, টিকালো নাক, পরিপাটি চুল, জিরো ফিগার, গভীর চোখের চাহুনি। শুধু পুলিশ নয়, মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাও এই ঘটনা নিয়ে ভাবছেন।
ইফফাত-শান্তার সম্পর্ক ছোটবেলার। শান্তার পরিবার সূত্রে খবর, কখনও ছেলেকে নিয়ে, আবার কখনও ছেলেকে ছাড়া ইফফাত-শান্তা বেড়াতে যেতেন। একবার বিহার গিয়েছিলেন তাঁরা। আরেকবার দিল্লি। কয়েকবছর আগে শান্তা-ইফফাত একটি মন্দিরে গিয়ে মালা বদল করেন, এমন তথ্যও সামনে আসছে।
শান্তার স্বামী পঙ্কজ শর্মা জানান, তাঁর সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক খুব একটা ভাল ছিল না। তবে ইফফাত একজন নারী, তাই তিনি এ সম্পর্ককে অস্বাভাবিক ভাবতে পারেননি। কিন্তু শান্তার বাপের বাড়ির লোকেরা কোনওদিনই সেই সম্পর্ক ভালওভাবে নিতেন না বলে জানান। পঙ্কজ জানান, ছেলেকে রেখে প্রায়ই শান্তা ইফফাতের সঙ্গে দেখা করতে উত্তরপাড়া থেকে খিদিরপুর যেতেন। এমনও পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতার হওয়ার পর শান্তা-ইফফাত একে অপরের সঙ্গে কথা বলার জন্য উদ্বেল। প্রশ্ন উঠছে, শান্তা-ইফফাত যদি সমপ্রেমেই আবদ্ধ হন, তাহলেও এই সন্তান খুনের কী প্রয়োজন ছিল?





