Hooghly: ‘লজে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের আনে’, পাড়ায় দেহ ব্যবসার প্রতিবাদ নাবালিকার, তারপর যা হল…
Tarakeswar Prostitution Protest: বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহসভাপতি গণেশ চক্রবর্তী বলেন, "চাঁপাডাঙা এলাকায় রমরমিয়ে দেহ ব্যবসা চলছিল, প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তার পরও চলছিল। যারা প্রতিবাদ করেছিল, তাদের মারধর করা হয়েছে। বিজেপি সরকার এই অপরাধ বরদাস্ত করবে না।"

হুগলি: পাড়ায় রমরমিয়ে চলে দেহ ব্যবসা। এমনই অভিযোগ। প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর প্রতিবাদী ও তার আত্মীয়দের। ঘটনাটি হুগলির তারকেশ্বরের চাঁপাডাঙা এলাকার। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্তরা।
অভিযোগ, তৃণমূল আমলে তৃণমূল নেতাদের মদতে চাঁপাডাঙায় এই এলাকায় রমরমিয়ে চলত দেহ ব্যবসা। রাজ্যে পালাবদলের পর দেহ ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, এখন ফের ওই এলাকায় শুরু হয় দেহ ব্যবসা। তৃণমূল আমলে প্রতিবাদ করতে পারেননি প্রতিবেশীরা। পাড়ার মধ্যে কীভাবে এই কারবার? এই নিয়ে এলাকার এক নাবালিকা বিডিও-সহ একাধিক সরকারি দফতরে অভিযোগ জানান।
অভিযোগ কেন হল? এই রাগে দেহ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এলাকার কয়েক জন মাতব্বর ওই নাবালিকার মা ও তার পরিবারের উপর চড়াও হয় সোমবার দুপুরে। বেধড়ক মারধর করা হয় পরিবারের সদস্যদের। মারের চোটে পরিবারের অনেকেই আহত হন। তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে তাঁরা তারকেশ্বর থানায় যান। বেশ কয়েক জন ব্যক্তি, যারা দেহ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাদের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাবালিকার পরিবার।
নাবালিকার মা বলেন, “আজকে প্রথমে ৩০-৪০ জন আসে। আমাকে চড় মারে। ঘুষি মারে। আমি উল্টে পড়ে যাই। তখন বলে, তোর মেয়ে কোথায়। তোর মেয়েকে প্রথমে ঠ্যাঙাব। তারপর তোদের ঘরের সবাইকে মারব।” তাঁদের উপর হামলার কারণ নিয়ে তিনি বলেন, “এখানে লজে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের আনে। তার প্রতিবাদ করেছিল আমার মেয়ে। সেজন্যই সবাইকে ডেকে এনে মেরেছে। আমরা কার কাছে বিচার চাইব?”
এবিষয়ে বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহসভাপতি গণেশ চক্রবর্তী বলেন, “চাঁপাডাঙা এলাকায় রমরমিয়ে দেহ ব্যবসা চলছিল, প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তার পরও চলছিল। যারা প্রতিবাদ করেছিল, তাদের মারধর করা হয়েছে। বিজেপি সরকার এই অপরাধ বরদাস্ত করবে না।”
