
তারকেশ্বর: ভোট ঘোষণার পর থেকে বারবার তপ্ত হয়েছে হুগলির তারকেশ্বর। এবার তৃণমূলের পতাকা ছেঁড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের মধ্যেই বিবাদ। ঝরল রক্ত। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে প্রথমে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় চুঁচুড়া সদর হাসপাতাল স্থানান্তরিত করা হয়। সেখান থেকে পাঠানো হয় কলকাতায়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
তৃণমূলের পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে কমল সামন্ত এক বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে। কিন্তু তার প্রতিবাদ করেন আর এক বিজেপি কর্মী নিমাই সামন্ত। অভিযোগ, ওই সময়েই প্রতিবাদী বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। লাঠি দিয়ে ফাটিয়ে দেওয়া হয় মাথা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, নিমাই ও কমল দু’জনেই গয়েশপুরের বাসিন্দা। দু’জনেই বিজেপি কর্মী। বিজেপির পতাকা লাগানোর সময় কমল সামন্ত তৃণমূলের পতাকা ছিঁড়ে ফেলে দিচ্ছিল। নিমাই তার প্রতিবাদ করে। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা থেকে একেবারে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। বাঁশ ও কাঁচের বোতল দিয়ে আঘাত করা হয়। তখনই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নিমাই। শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত কমল সামন্ত-সহ আরও এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার রাজনৈতিক মহলেও স্বভাবতই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। সুর চড়িয়েছেন তারকেশ্বরের তৃণমূল প্রার্থী রামেন্দু সিংহরায়। বিজেপি কর্মীদের এই কাজ দেখে ফের একবার দুষ্কৃতীদের দল বলেই পদ্ম শিবিরকে আক্রমণ করছেন এলাকার তৃণমূল নেতারা। অন্যদিকে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি গণেশ চক্রবর্তী আবার বলছেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বকে রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল।