
হুগলি: নিজের স্ত্রীকে শুনানির নোটিস ধরালেন বিএলও। নির্বাচন কমিশনের ভুলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধরণ মানুষ দাবি BLO র। ঘটনা তারকেশ্বর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪৮ নম্বর বুথের। BLO রাজশেখর মজুমদার তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা মজুমদারকে শুনানির নোটিস ধারণ, শুক্রবার শুনানি। সুস্মিতার মুজুমদারের বাবা সুবত্র চট্টোপাধ্যায় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন সেকারণে ২০০২-এর লিস্টে নাম ছিল না। ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম ছিল দাদু ভূপেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
১৭৭ নং জাঙ্গিপাড়া বিধান সভা, অংশ নং ১০৪, ক্রমিক নং ১৭০ ভোটার আইডি নম্বর WB/26/177/309155। এস আই আর এ দাদুর নাম ম্যাপিং করান সুস্মিতা দেবী।
কিন্তু দাদুর সঙ্গে মাত্র ৪০ বছরের ফারাক দেখিয়ে শুনানির নোটিশ ধরানো হয়েছে সুস্মিতাকে।
যদিও দাদু ভূপেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ২০০২ এর তালিকায় বয়স উল্লেখ্য করা রয়েছে ৮১ বছর। বর্তমানে বেঁচে থাকলে বয়স হত প্রায় ১০৫ , তাঁর মৃত্যু হয় ২০১০ সালে। বর্তমানে সুস্মিতার বয়স ৩৭ বছর।এই হিসাব ধরলে বয়সের ফারাক ৬৫ বছর হওয়ার কথা তাহলে কেন তিনি নোটিস পেলেন ? BLO-দের এখানে কোনও গাফিলতি নেই , নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির ফলে ভুগতে হচ্ছে সাধরণ মানুষকে এবং হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে দাবি করেন সুস্মিতা মজুমদার। যদিও BLO রাজশেখর মুজুমদার বলেন, “প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই ভুল।যার ফলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধরণ মানুষ।”