AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Dowry Death Case in Hooghly: বাকি ছিল পণের মাত্র ১৫ হাজার টাকা, উদ্ধার হয়েছিল গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ! ৭ বছর টানা মামলা চলার পর কী বলছে আদালত?

Hooghly Dowry Death Case Verdict: ২০১৭ সালের ২ মার্চ মগড়ার বাসিন্দা স্বর্ণময়ী মণ্ডলের সঙ্গে জিরাটের কালিয়াগরের সঞ্জিত রাজবংশীর বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের সময় পাত্রপক্ষ নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রচুর অলঙ্কার ও আসবাবপত্র দাবি করেছিল। সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত।

Dowry Death Case in Hooghly: বাকি ছিল পণের মাত্র ১৫ হাজার টাকা, উদ্ধার হয়েছিল গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ! ৭ বছর টানা মামলা চলার পর কী বলছে আদালত?
কী বলছে আদালত? Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 24, 2026 | 7:19 PM
Share

চুঁচুড়া: বিয়ের সময় পণের যে দাবি ছিল তা থেকে মাত্র ১৫ হাজার টাকা মেটাতে না পারায় গৃহবধূর উপর অমানবিক অত্যাচার। তার মাঝেই হয়েছিল রহস্য-মৃত্যু। এবার এ ঘটনায় বড় রায় দিল আদালত। শুক্রবার চুঁচুড়া আদালতের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক শুভ্রা ভৌমিক ভট্টাচার্য অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। আগামী সোমবার ২৭ এপ্রিল এই মামলায় সাজা ঘোষণা করা হবে।

২০১৭ সালের ২ মার্চ মগড়ার বাসিন্দা স্বর্ণময়ী মণ্ডলের সঙ্গে জিরাটের কালিয়াগরের সঞ্জিত রাজবংশীর বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের সময় পাত্রপক্ষ নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রচুর অলঙ্কার ও আসবাবপত্র দাবি করেছিল। পরিবার সূত্রে খবর, স্বর্ণময়ীর বাবা প্রশান্ত মণ্ডল যথাসাধ্য চেষ্টা করে গয়না ও অন্যান্য সামগ্রী দিলেও নগদের পুরো টাকা জোগাড় করতে পারেননি। ৫০ হাজার টাকার মধ্যে তিনি ৩৫ হাজার টাকা দিতে পেরেছিলেন।

অভিযোগ, বকেয়া ১৫ হাজার টাকার জন্য বিয়ের পর থেকেই স্বর্ণময়ীর উপর শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। প্রশান্তবাবুর অভিযোগ, মেয়ের সুখের কথা ভেবে তিনি বেশ কয়েকবার আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাতেও মন গলেনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের। বিয়ের মাত্র ৯ মাসের মাথায়, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণময়ীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। 

মেয়ের মৃত্যুর পর বলাগড় থানায় স্বামী সঞ্জিত রাজবংশী, শ্বশুর কৃষ্ণচন্দ্র রাজবংশী ও শাশুড়ি ঝর্না রাজবংশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন প্রশান্তবাবু। বলাগড় থানার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার উজ্জ্বল দে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। অবশেষে দীর্ঘ সাত বছর পর আদালত অপরাধীদের দোষী সাব্যস্ত করায় কিছুটা স্বস্তিতে স্বর্ণময়ীর বাবা-মা। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। এখন দেখার সোমবার আদালত কী সাজা শোনায়।

Follow Us