AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Yuva Sathi: ছেলে গুয়াহাটি IIT-তে পড়ে, যুব সাথী ফর্ম তুললেন বাবা

Yuva Sathi scheme: তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, "রাজ্য সরকার এই ভাতা দিচ্ছে, ভালো কথা। কিন্তু আমরা তো অবাক হয়ে যাচ্ছি লাইন দেখে। উচ্চশিক্ষিত যুবকরা ফর্ম নিতে দাঁড়িয়ে আছে। মানে পনেরো বছর ধরে যুব সমাজকে বেকার বানিয়ে রেখেছে। এটাই তার জলজ্যান্ত উধাহরণ।"

Yuva Sathi: ছেলে গুয়াহাটি IIT-তে পড়ে, যুব সাথী ফর্ম তুললেন বাবা
যুব সাথীর ফর্ম তুলতে ভিড়Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 16, 2026 | 11:54 PM
Share

হুগলি: চুঁচুড়ায় গতকাল যুব সাথী প্রকল্পের লাইনে দাঁড়িয়ে ফর্ম জমা দিতে দেখা গিয়েছিল এক গবেষক যুবককে। সোমবার দ্বিতীয় দিনে দেখা গেল আইআইটি-তে পাঠরত এমটেক পড়ুয়ার জন্য ফর্ম তুললেন বৃদ্ধ বাবা। এমটেক পড়ুয়ার জন্য যুব সাথীর ফর্ম তোলা নিয়ে শাসকদলের বক্তব্য, চাকরির পরীক্ষার জন্য সরকারের এই আর্থিক সাহায্য কাজে লাগবে। অন্যদিকে, এই নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েনি বিজেপি।

চুঁচুড়ার রথতলা এলাকার বাসিন্দা অলোক মুখোপাধ্যায়ের ছেলে অর্ণব মুখোপাধ্যায়। ব্যান্ডেল ডন বস্কো স্কুল থেকে পড়াশোনা করে মগড়ার বেসরকারি কলেজ থেকে বিটেক পাশ করেন। এখন অসমের গুয়াহাটি আইআইটিতে এমটেক করছেন। অলোকবাবু একটি আধা সরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন।

এদিন সদর মহকুমা শাসক দফতরের সামনে যুব সাথী রেজিস্ট্রেশান শিবির থেকে ছেলের জন্য ফর্ম সংগ্রহ করতে আসেন। তিনি বলেন, “ছেলেকে ফোন করেছিলাম। যুব সাথী প্রকল্পের কথা বললাম। ওর তো পড়াশোনার ক্ষেত্রে কিছু খরচও হয়। তাই প্রকল্পের সহযোগিতা যদি পাওয়া যায়, তাই ফর্ম তুললাম। ছেলের এমটেক শেষ হবে ২০২৭ সালে। চাকরির পরীক্ষার জন্য কাজে লাগবে এই যুব সাথী।” তাঁর ছেলে এখন সাড়ে ১২ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড পান। তাঁর প্রশ্ন, ছেলে এই স্টাইপেন্ড পাওয়ার পর যুব সাথীর টাকা পাবে তো?

একজন এমটেক পড়ুয়ার যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম তোলা নিয়ে চুঁচুড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ঝন্টু বিশ্বাস বলেন, “যুব সাথী প্রকল্পের জন্য উচ্চশিক্ষিত বা কমশিক্ষিতর বিষয় নয়। ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাশ বলা হয়েছে। যারা উচ্চশিক্ষায় যাচ্ছে, তাদের যাতে পড়াশোনায় সুবিধা হয়, চাকরির পরীক্ষার জন্য তাদের এই প্রকল্পটা কাজে লাগবে। এটা যুগান্তকারী একটা প্রকল্প। এটা দলমত নির্বিশেষে সবাই পাবে। যারা উচ্চশিক্ষিত হচ্ছে তারা যতক্ষণ না চাকরি পাচ্ছে তাদের জন্য এই প্রকল্প খুবই কাজে লাগবে।”

পাল্টা কটাক্ষ করে বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ বলেন, “রাজ্য সরকার এই ভাতা দিচ্ছে, ভালো কথা। কিন্তু আমরা তো অবাক হয়ে যাচ্ছি লাইন দেখে। উচ্চশিক্ষিত যুবকরা ফর্ম নিতে দাঁড়িয়ে আছে। মানে পনেরো বছর ধরে যুব সমাজকে বেকার বানিয়ে রেখেছে। এটাই তার জলজ্যান্ত উধাহরণ।”