
চন্দননগর: আরও একবার টিকিট পেয়েছেন তিনি। আর সেই টিকিট পাওয়ার পরই আত্মবিশ্বাসী তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেই, তিনি নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী। যাঁরা খেলোয়ার তাঁদের ভোকাল টনিক দিয়েছি। যাঁরা তৃণমূলকে ভোট দেয় না তাঁদের সঙ্গে নিবির সম্পর্ক তৈরি করার পরামর্শ দিলেন তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন।
মঙ্গলবার ঘোষণা হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূলের প্রার্থী হলেন ইন্দ্রনীল সেন। ২০১৬ সালে প্রথম চন্দননগর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হন সংগীত শিল্পী ইন্দ্রনীল সেন। জয়লাভ করে বিধায়ক হন। জায়গা করে নেন রাজ্যের মন্ত্রীসভায়। ২০২১ সালেও চন্দননগর থেকেই প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন ইন্দ্রনীল। এবারেও বিধানসভা ভোটে চন্দননগর বিধানসভায় ইন্দ্রনীলের উপরেই ভরসা রাখল তৃণমূল কংগ্রেস।
প্রার্থী ঘোষণার পর বুধবার চন্দননগরে কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন ইন্দ্রনীল সেন। চন্দননগর কলুপুকুরধার এলাকায় একটি লজে প্রথমে কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন। পরে সাংবাদিক প্রশ্নের উত্তর দেন তৃণমূল প্রার্থী। ইন্দ্রনীল সেন বলেন, “চন্দননগরে একাধিক উন্নয়ন হয়েছে। তবু যদি কেও মনে করেন আরও কিছু কাজ হওয়ার দরকার ছিল, সেই কাজ গুলি হয়নি। তবে সেই কাজের লিস্ট আপনারা পাঠাবেন করে দেব। আগামী দিন আর কী কী কাজ হবে তা সবাইকে নোটিস দিয়ে এবং সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।”
চন্দননগরের সিপিএম প্রার্থী এলাকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দশা বেহাল বলে দাবি করেছেন। সেই প্রসঙ্গে ইন্দ্রনীল বলেন, “ওঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত। ওঁর চক্ষু পরীক্ষা করা উচিত। তাঁর জন্য সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প রয়েছে। স্বাস্থ্য বীমা রয়েছে। তার পরেও যদি আমার কোনও ব্যক্তিগত সাহায্য দরকার হয়, আমি করব।
অনেক কাজ হয়েছে। আবার কিছু কাজ হয়তো বাকি আছে।” তিনি আরও বলেন, ”
কেন্দ্র সরকার অনেক টাকা আটকে রেখেছে। কেন্দ্র সরকারকে বলব রাজ্যের বকেয়া টাকা ছাড়ুন। তাহলে বিধানসভা এলাকায় আরও উন্নয়ন করতে পারি। আগামী ৭ই মে এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার চতুর্থবারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হবেন।”
ইন্দ্রনীল বলেন, “সবাইকে বলব শরীর সুস্থ রাখুন। এলাকায় সকলের বাড়ি বাড়ি যান। সম্পর্ক সবার সাথে ভাল রাখুন। ভোটাররা যাতে ভোট দিতে পারে সেদিকে নজর দিন। ভোট মানুষ যাকেই দিক না কেন তিনি যেন নিজে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেদিকে নজর দিন।”