ISF candidate’s aide assaulted in Khanakul: আইএসএফ প্রার্থীর সহযোগীকে ব্যাপক মারধর, অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত খানাকুল
West Bengal assembly election 2026: খানাকুলের আইএসএফ প্রার্থী সাদ্দাম হোসেনের অভিযোগ, খানাকুল ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে বেশ কয়েকটি বুথে এদিন তাঁদের এজেন্টদের বসতে বাধা দেয় তৃণমূল। তার মধ্যে কামদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১১ নম্বর বুথে এজেন্ট বসানোর জন্য এজেন্ট ও কয়েকজন দলীয় কর্মীকে নিয়ে সেখানে হাজির হন সাদ্দাম।

খানাকুল: দ্বিতীয় দফার ভোটে উত্তপ্ত হুগলির খানাকুল। আইএসএফ প্রার্থীর (ISF Candidate) সহযোগীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে খানাকুল থানার সামনে ধর্নায় বসেন আইএসএফ প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন। তাঁর বক্তব্য, খানাকুলে আর তৃণমূলের অস্তিত্ব নেই। ভয় পেয়েই হামলা চালিয়েছে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা।
বুধবার কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭ টায়। খানাকুলে একাধিক বুথে আইএসএফ এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। সেই খবর পেয়ে বুথে এজেন্ট বসাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন খানাকুলের আইএসএফ প্রার্থীর সহযোগী শেখ মণিরুল ইসলাম। খানাকুলের আইএসএফ প্রার্থী সাদ্দাম হোসেনের অভিযোগ, খানাকুল ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে বেশ কয়েকটি বুথে এদিন তাঁদের এজেন্টদের বসতে বাধা দেয় তৃণমূল। তার মধ্যে কামদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১১ নম্বর বুথে এজেন্ট বসানোর জন্য এজেন্ট ও কয়েকজন দলীয় কর্মীকে নিয়ে সেখানে হাজির হন সাদ্দাম।
আইএসএফ প্রার্থীর অভিযোগ, বুথের এজেন্ট বসানোর জন্য তিনি বুথের ভেতরে গেলে সেই সময় বুথের বাইরে থাকা তাঁর সহযোগী শেখ মণিরুল ইসলামের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। মাটিতে ফেলে তাঁকে লাঠি ও রড দিয়ে পেটানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই সহযোগীকে উদ্ধার করে খানাকুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে খানাকুল থানার সামনে ধর্নায় বসে পড়েন আইএসএফ প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন।
আইএসএফ প্রার্থী সাদ্দাম হোসেন বলেন, “খানাকুল ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫টি বুথে আমাদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের এজেন্টদের পথে আটকায়। এবং এজেন্ট কার্ড কেড়ে নেয়। খানাকুলে তৃণমূলের যে অস্তিত্ব নেই, তা প্রমাণিত। বেছে বেছে শুধু আইএসএফের উপর হামলা হচ্ছে।”
আক্রান্ত শেখ মণিরুল ইসলাম বলেন, “বাঁশ দিয়ে মেরেছে। সিআরপিএফ বুথের ভিতরে ছিল। বাইরেও ছিল। তবে চুপচাপ দাঁড়িয়েছিল।” আইএসএফের এই অভিযোগ নিয়ে তৃণমূলের কোনও বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
