Titagarh: SIR-এর নথিপত্র রেখেই গঙ্গায় ঝাঁপ, ভয়ঙ্কর কাণ্ড হুগলিতে

আজ বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটা নাগাদ হুগলির শ্রীরামপুর ফেরিঘাট থেকে যাত্রী বোঝাই একটি লঞ্চ উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ফেরি ঘাটে যাওয়ার সময় এক যাত্রী মাঝ গঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ মারেন। লঞ্চে থাকা কর্মীরা তৎক্ষনাত তাঁকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই যাত্রীর নাম মহম্মদ কায়ামুদ্দিন। তিনি টিটিগড়ের বাসিন্দা।

Titagarh: SIR-এর নথিপত্র রেখেই গঙ্গায় ঝাঁপ, ভয়ঙ্কর কাণ্ড হুগলিতে
হুগলিতে আত্মহত্যার চেষ্টাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Feb 21, 2026 | 2:33 PM

টিটাগড়: এসআইআর (SIR)-এর চাপ। মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ বিএলওর (BLO)। উত্তর ২৪ পরগনার টিটাগড়ের বাসিন্দা পেশায় স্কুল শিক্ষা বিএলও মহম্মদ কায়ামুদ্দিন। শ্রীরামপুর এসে লঞ্চ থেকে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এসআইআর (SIR)-এর চাপ সামলাতে পারছিলেন না বলে দাবি তাঁর।
ফেরিঘাটের কর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ এসে বিএলও-কে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে বারোটা নাগাদ হুগলির শ্রীরামপুর ফেরিঘাট থেকে যাত্রী বোঝাই একটি লঞ্চ উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ফেরিঘাটে যাওয়ার সময় এক যাত্রী মাঝ গঙ্গায় লঞ্চ থেকে ঝাঁপ মারেন। লঞ্চে থাকা কর্মীরা তৎক্ষনাত তাঁকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই যাত্রীর নাম মহম্মদ কায়ামুদ্দিন। তিনি টিটিগড়ের বাসিন্দা। কাঁচরাপাড়ার একটি স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
বিএলও হিসাবে কাজ করছিলেন এসআইআর-এ। তাঁর বুথে ১ হাজার ২৪৫ জন ভোটার রয়েছে।
এসআইআর এর নথি ভর্তি ব্যাগ মোবাইল ফোন লঞ্চে রেখে গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

শিক্ষকের দাবি, তিনি চাপ নিতে পারছিলেন না। ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্র তাঁর অক্ষমতা আছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের জানিয়েছেন। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। দিনের পর দিন তাকে এসআইআর এর কাজ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হয়। আজ সকালে ব্যারাকপুর থেকে শ্রীরামপুরে আসেন।পরে শ্রীরামপুর থেকে ব্যারাকপুরে যাওয়ার সময় গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ফেরিঘাট কর্মি মহঃ বাবলু বলেন, “হঠাৎ গঙ্গায় ঝাঁপ দেন ওই যাত্রী।আমরা তাকে উদ্ধার করি। পরে জানা যায় তিনি একজন বিএলও।পুলিশ ও তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়।”

শ্রীরামপুর পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্রীরামপুর শহর তৃণমূল সভাপতি সন্তোষ কুমার সিং বলেন, “তাড়াহুড়ো করে এসআইআর করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন মানুষকে হয়রান করছে। অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মহঃ কায়ামুদ্দিন ডিজিটালি অত পোক্ত নন। তাঁকে সেই কাজ করতে চাপ দেওয়া হয়েছে। বহু ভোটারের ম্যাপিং হয়ে থাকা সত্ত্বেও তাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। মানসিক অবসাদে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এর দায় বিজেপির। তাঁরা চাইছে এসআইআর করে বাংলা দখল করবে। মানুষ এর জবাব দেবে নির্বাচনে।”