হুগলি: পেশায় আইনজীবী। এসি ট্রেনে যাচ্ছিলেন সিউড়ি। গন্তব্যে এসে পৌঁছন। তখন জামাকাপড় গুছিয়ে ব্যাগে ঢোকাচ্ছিলেন, সঙ্গে ঢুকিয়ে ফেলেন চাদরও। অভিযোগ ঘিরে শোরগোল। চুঁচুড়ার বাসিন্দা মৃন্ময় মজুমদার। তিনি একজন আইনজীবী। এলাকায় আবার বিজেপি নেতা হিসাবে পরিচিত। আগে তৃণমূল লিগ্যাল সেলের নেতা ছিলেন।২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন।
সূত্রে জানা গিয়েছে, হুল এক্সপ্রেসে সিউড়ি আদালতে যাচ্ছিলেন মৃন্ময়। সেই ট্রেনের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি TV9 বাংলা। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, একজন কোচ অ্যাটেনডেন্ট তাঁকে বলছেন, “আপনি টিকিট কেটেছেন, তার মানে এই নয় যে আপনি চাদরটা ব্যাগে ঢুকিয়ে নেবেন।” তাঁর প্রেক্ষিতে মৃন্ময়কে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘সরি সরি…’, তখন আবারও ওই কোচ অ্যাটেনডেন্ট বলেন, “মনে করুন আমরা তিনশো টাকার জন্য কাজ করতে এসেছি, এরকম ঘটলে, তাঁকে সাতশো টাকা দিতে হচ্ছে।” তখন এক সহযাত্রী সেটির ভিডিয়ো করেন, তাঁকে বলতে শোনা যায়, “একজন নিত্য যাত্রী হয়ে কীভাবে বেডশিট চুরি করলেন, ব্যাগে পুরে নিলেন।” তখনই তিনি ওই যাত্রীর ক্যামেরা হাত দিয়ে বন্ধ করে দেন।
আর এই নিয়ে তৃণমূল হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলেন, “কোনও এক ট্রেনে চাদর চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। পেশায় একজন আইনজীবী, তিনি ন্যায় বিচারের জন্য লড়েন। চিন্তা করুন একজন বিজপি নেতা আইনজীবী বেডশিট চুরি করে ধরা পড়ছে, সেই বিজেপি ক্ষমতায় এলে কী করবে।”
প্রতিক্রিয়া জানতে TV9 বাংলার প্রতিনিধি ফোন করেছিলেন অভিযুক্ত মৃন্ময়কে। তাঁর বক্তব্য, “এরকম অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি আইনি পদক্ষেপ নেবেন।”
হুগলি: পেশায় আইনজীবী। এসি ট্রেনে যাচ্ছিলেন সিউড়ি। গন্তব্যে এসে পৌঁছন। তখন জামাকাপড় গুছিয়ে ব্যাগে ঢোকাচ্ছিলেন, সঙ্গে ঢুকিয়ে ফেলেন চাদরও। অভিযোগ ঘিরে শোরগোল। চুঁচুড়ার বাসিন্দা মৃন্ময় মজুমদার। তিনি একজন আইনজীবী। এলাকায় আবার বিজেপি নেতা হিসাবে পরিচিত। আগে তৃণমূল লিগ্যাল সেলের নেতা ছিলেন।২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন।
সূত্রে জানা গিয়েছে, হুল এক্সপ্রেসে সিউড়ি আদালতে যাচ্ছিলেন মৃন্ময়। সেই ট্রেনের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি TV9 বাংলা। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, একজন কোচ অ্যাটেনডেন্ট তাঁকে বলছেন, “আপনি টিকিট কেটেছেন, তার মানে এই নয় যে আপনি চাদরটা ব্যাগে ঢুকিয়ে নেবেন।” তাঁর প্রেক্ষিতে মৃন্ময়কে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘সরি সরি…’, তখন আবারও ওই কোচ অ্যাটেনডেন্ট বলেন, “মনে করুন আমরা তিনশো টাকার জন্য কাজ করতে এসেছি, এরকম ঘটলে, তাঁকে সাতশো টাকা দিতে হচ্ছে।” তখন এক সহযাত্রী সেটির ভিডিয়ো করেন, তাঁকে বলতে শোনা যায়, “একজন নিত্য যাত্রী হয়ে কীভাবে বেডশিট চুরি করলেন, ব্যাগে পুরে নিলেন।” তখনই তিনি ওই যাত্রীর ক্যামেরা হাত দিয়ে বন্ধ করে দেন।
আর এই নিয়ে তৃণমূল হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলেন, “কোনও এক ট্রেনে চাদর চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। পেশায় একজন আইনজীবী, তিনি ন্যায় বিচারের জন্য লড়েন। চিন্তা করুন একজন বিজপি নেতা আইনজীবী বেডশিট চুরি করে ধরা পড়ছে, সেই বিজেপি ক্ষমতায় এলে কী করবে।”
প্রতিক্রিয়া জানতে TV9 বাংলার প্রতিনিধি ফোন করেছিলেন অভিযুক্ত মৃন্ময়কে। তাঁর বক্তব্য, “এরকম অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তিনি আইনি পদক্ষেপ নেবেন।”