AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Arambag: ‘রাতেও বাবার সঙ্গে কথা বলেছি…’, সরকারি হাসপাতাল থেকে উধাও রোগী!

Arambag: জানা গিয়েছে,খানাকুলের জগদীশপুর এলাকার বাসিন্দা জগদীশ বেরা (৬৫)। শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত রবিবার আরামবাগ মেডিক্যা কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। বৃহস্পতিবার তাঁর ছুটি নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার কথা ছিল।

Arambag: 'রাতেও বাবার সঙ্গে কথা বলেছি...', সরকারি হাসপাতাল থেকে উধাও রোগী!
উধাও রোগীImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Sep 12, 2024 | 2:02 PM
Share

আরামবাগ: হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলেন বাবাকে। এরপর বৃহস্পতিবার ওই ব্যক্তির মেয়ে যান সেখানে। বাবাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনার জন্য যে সকল প্রক্রিয়ার প্রয়োজন সেই সবই করছিলেন। কিন্তু কোথায় কী? হাসপাতালে যাওয়ার পর বাবাকে দেখতে পেলেন না মেয়ে। তাহলে কোথায় গেলেন তিনি? শুরু হল হইহই। আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজের ঘটনা।

জানা গিয়েছে,খানাকুলের জগদীশপুর এলাকার বাসিন্দা জগদীশ বেরা (৬৫)। শ্বাসকষ্ট নিয়ে গত রবিবার আরামবাগ মেডিক্যা কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। বৃহস্পতিবার তাঁর ছুটি নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। সেই মতো আজ সকালে জগদীশ বাবুর কন্যা হাসপাতালে আসেন। তবে তাঁর দাবি, জগদীশবাবুকে তিনি দেখতে পাননি। ওয়ার্ডমাস্টার থেকে সিকিউরিটি সবার কাছেই খোঁজ নেন জগদীশ বাবুর পরিবারের লোকজন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও দেখতে পাওয়া যায়নি জগদীশ বাবুকে।

এ প্রসঙ্গে জগদীশ বাবুর মেয়ে রিতা মণ্ডল বলেন, “বাবা অনেকদিন ধরেই হাসপাতালে ভর্তি। জেনারেল বেডে ছিলেন। বুধবারও বাবার সঙ্গে কথা হয়েছে। রাতে তো থাকতে দেবে না আমায়। তাই বাড়ি চলে গিয়েছিলাম। আজ ছুটি দেওয়ার কথা। সেই মতো আমি বাবাকে আনতে যাই। এরপর হাসপাতাল থেকে বলা হয় বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।” “মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কড়া সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি নিখোঁজ হয়ে গেলেন? এই নিয়ে আরামবাগ গভরমেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।”

এ প্রসঙ্গে এমএসভিপি বলেন, “রোগীর মধ্যে সাইকো সমস্যা ছিল। উনি একদিন নিজের বেডে না শুয়ে অন্য বেডে শুয়েছিলেন। রোগীর পরিজনও খোঁজাখুঁজি করেছেন। সাইকোলজিক্যাল অসুবিধা হচ্ছিল। কালকে যখন পাওয়া গেল না তখনই আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

Follow Us