AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Asit Majumdar: ‘আমাদের খেলার মাঠ থেকে তাড়িয়েছিল, দল চুঁচুড়া থেকে তাড়িয়েছে’, অসিত টিকিট না পাওয়ায় বাজি ফাটালেন TMC কর্মীরা

Hooghly: ২০১১ সালে প্রথম তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়ান অসিত মজুমদার। ভোটে জিতে বিধায়ক হন তিনি। তারপর থেকে টানা তিনবারের বিধায়ক অসিত মজুমদার। কিন্তু এবার বিধানসভা ভোটে তাঁর উপর আর আস্থা রাখল না দল। এবার তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। প্রার্থী করা হয়েছে দেবাংশু ভট্টাচার্যকে।

Asit Majumdar: 'আমাদের খেলার মাঠ থেকে তাড়িয়েছিল, দল চুঁচুড়া থেকে তাড়িয়েছে', অসিত টিকিট না পাওয়ায় বাজি ফাটালেন TMC কর্মীরা
অসিত মজুমদারImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 17, 2026 | 9:26 PM
Share

হুগলি: তিনবারের বিধায়ক অসিত মজুমদার এবার পেলেন না টিকিট। আর তারপরই  আনন্দে বাজি ফাটালো চুঁচুড়ায়। সেল ফাটিয়ে আনন্দ করতে দেখা গেল তৃণমূল কর্মী ও একটি ক্লাবের একাংশ সদস্যদের।

২০১১ সালে প্রথম তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়ান অসিত মজুমদার। ভোটে জিতে বিধায়ক হন তিনি। তারপর থেকে টানা তিনবারের বিধায়ক অসিত মজুমদার। কিন্তু এবার বিধানসভা ভোটে তাঁর উপর আর আস্থা রাখল না দল। এবার তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। প্রার্থী করা হয়েছে দেবাংশু ভট্টাচার্যকে। আর তাতেই খুশির হওয়া চুঁচুড়া জুড়ে। চুঁচুড়ার একটি ফুটবল কোচিং ক্লাবে এদিন সন্ধ্যায় দেখা যায় সেল ফাটিয়ে আনন্দ করতে। একের পর এক সেল ফাটিয়ে আনন্দে মেতে ওঠে পেয়ারা বাগান ফুটবল কোচিং ক্লাবের সদস্যদের।

নাম জানাতে অনিচ্ছুক এক সদস্য বলেন, “আমাদের খেলার মাঠ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল এই বিধায়ক। আজ দল ওকেই চুঁচুড়া থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন প্রার্থীকে বলব, এখানে যাতে ফুটবল কোচিং সেন্টার ক্রিকেট কোচিং সেন্টারের সকলে যাতে সুষ্ঠুভাবে আবার খেলাটা প্র্যাকটিস করতে পারে।” অন্যদিকে দলেরই একাংশকে দেখা গেল চুঁচুড়া ঘড়ির মোড়ে সেল ফাটাতে। সেখানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় চুঁচুড়ার প্রাক্তন পুর প্রধান অমিত রায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্বকে।

অমিত রায় অবশ্য ঘুরিয়ে বলেন, “দল আগে। দেবাংশুকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। ওকে বিপুল ভোটে জিতিয়ে আমরা বিধায়ক বানাব।” অন্যদিকে, বিধায়কের গলায় আক্ষেপের সুর। অসিত মজুমদার বলেন, “রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিলাম। দল বললেই কাজ করতে হবে? আমি কি দলের ঠ্যাকা নিয়ে আছি? আমরা তো চুনোপুটি লোক, তাহলে আমাদের সাথে কেন কথা বলবে। আমি মনে করেছি খামতি নেই, ওরা মনে করেছে আমার খামতি আছে। না হলে তিনবার আমাকে দিল এবার দিল না কেন?” তাঁর এও সংযোজন, “আবার দরকার বলে ওকালতি শুরু করব। উকিলের ডিগ্রি আছে, বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেট আছে আবার কোর্টে যাব। তবে রাজনীতি আর করব না।”

এখানে উল্লেখ্য, হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অসিতের গোষ্ঠী কোন্দল বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে। একাধিক ইস্যুতে দেখা গিয়েছে রচনাকে খোঁচা দিতে। পরে যদিও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যস্থতায় সেই দূরত্ব মেটে। কিন্তু রচনার সঙ্গে দূরত্ব মিটলেও দলের সঙ্গে টিকিট পাওয়া নিয়ে নতুন করে যে দূরত্ব তৈরি হল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Follow Us