Madhyamik Exam: মাধ্যমিক পরীক্ষার মাঝে আচমকা অসুস্থ ছাত্রী, শোনা মাত্রই পুলিশ কর্মী কী করলেন দেখুন!

Madhyamik Exam News: পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পরই দ্রুত যোগাযোগ করা হয় খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ-এর সঙ্গে। পুলিশের উদ্যোগেই ওই ছাত্রীকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু অসুস্থতার কারণে যাতে ছাত্রীর একটা বছর যাতে নষ্ট না হয় সে বিষয়ে শুরু থেকেই নজর ছিল প্রশাসনের।

Madhyamik Exam: মাধ্যমিক পরীক্ষার মাঝে আচমকা অসুস্থ ছাত্রী, শোনা মাত্রই পুলিশ কর্মী কী করলেন দেখুন!
কী বলছেন অভিভাকেরা? Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 06, 2026 | 10:10 PM

খানাকুল: পরীক্ষার মাঝেই অসুস্থ একের পর পরীক্ষার্থী। এদিন ইতিহাস পরীক্ষার্থীর চলাকালীন সময়েই আলিপুরদুয়ারের কালচিনি থেকে দু’জন পড়ুয়ার অসুস্থ হওয়ার খবর আসে। শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে বসে মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে চলে পরীক্ষা। অন্যদিকে আরামবাগেও কার্যত একই ছবি। কিন্তু এখানে পরীক্ষার ডিউটির মাঝেও পুলিশের মানবিক মুখ দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিভাবকরা। 

বৃহস্পতিবার এই ছবিই দেখা যায় খানাকুলের রাজহাটি বন্দর হাইস্কুলে। সূত্রের খবর, ইতিহাসের পরীক্ষা শুরুর ৪৫ মিনিট পরেই আচমকা অসুস্থ হয়ে যায় নন্দিনী বর। খবর যায় পুলিশে। সেই সময় এক্কেবারে ত্রাতার ভূমিকায় এগিয়ে আসেন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মী বেনারসি মাইতি দাস। কালবিলম্ব না করে অসুস্থ ছাত্রীকে নিজের কোলে তুলে নিয়ে পরম যত্নে নিচে নামিয়ে আনেন। তাও আবার তিনতলা থেকে। 

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পরই দ্রুত যোগাযোগ করা হয় খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালের বিএমওএইচ-এর সঙ্গে। পুলিশের উদ্যোগেই ওই ছাত্রীকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু অসুস্থতার কারণে যাতে ছাত্রীর একটা বছর যাতে নষ্ট না হয় সে বিষয়ে শুরু থেকেই নজর ছিল প্রশাসনের। সে কারমেঅ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় বেডে বসেই নন্দিনীর বাকি পরীক্ষা দেওয়ার আয়োজন করা হয়। বর্তমানে ওই ছাত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে পরীক্ষার ডিউটি, এলাকায় টহলের মতো গুরু দায়িত্বের মাঝেও পুলিশের এই সংবেদনশীলতায় আপ্লুত এলাকার বাসিন্দারা। প্রশংসায় পঞ্চমুখ অভিভাবকেরাও। অভিভাবরা বলছেন, পুলিশ এভাবে পাশে না দাঁড়ালে মেয়েটির ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যেত। সকলেই বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পুলিশ যদি এভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ায় তাহলে অনেক মুশকিলই আসান হয়ে যায়। পুলিশের উপরেও মানুষের ভরসা আরও বাড়ে।