Bull Attack: রাস্তায় বেরিয়ে বার বার পিছন ফিরতে হচ্ছে, সে ধেয়ে আসছে না তো!
Bull Attack: গ্রাম জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ষাঁড়। সেই ভয়েই কার্যত ঘরবন্দি অবস্থা গ্রামের মহিলাদের। পুরুষরা যাও বা বের হচ্ছেন, হাতে রাখতে হচ্ছে লাঠি। সেখানেও আবার আরেক বিপদ। লাঠি উঁচিয়ে ধাওয়া করলেও আরও মেজাজ বাড়ছে ষাড়ের।

বলাগড়: রাস্তায় বের হলেই আতঙ্ক। বার বার পিছন ফিরে দেখতে হচ্ছে। সে ধেয়ে আসছে না তো? এই ভয়েই এখন থরহরিকম্প অবস্থা হুগলির বলাগড়ের চরকৃষ্ণবাটি পঞ্চায়েতের বেনালিচর ও পদ্মডাঙা গ্রামে। গ্রাম জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ষাঁড়। সেই ভয়েই কার্যত ঘরবন্দি অবস্থা গ্রামের মহিলাদের। পুরুষরা যাও বা বের হচ্ছেন, হাতে রাখতে হচ্ছে লাঠি। সেখানেও আবার আরেক বিপদ। লাঠি উঁচিয়ে ধাওয়া করলেও আরও মেজাজ বাড়ছে ষাড়ের। এমনকী কোনও গৃহস্থের বাড়িতে গবাদি পশু দেখলে, তাদের দিকেও তেড়ে যাচ্ছে সে।
গ্রামবাসীদের বক্তব্য, আগে এই এলাকায় দুটি লাল ষাঁড়ের দাপটে ফসলের বেশ ক্ষতি হয়েছে। তার উপর আবার সম্প্রতি গ্রামে এসেছে একটি কালো ষাঁড়। আর এই কালো ষাঁড়টিকে নিয়েই চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে এলাকাবাসীদের। তার মেজাজ যেন সবসময় তিরিক্ষে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ষাঁড়ের শিংয়ের গুঁতোয় একজনের হাত কেটেছে। ষাঁড়ের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে আরও পাঁচ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গ্রামবাসীরা মিলিতভাবে স্থানীয় পঞ্চায়েত অফিসে গণস্বাক্ষর করা দরখাস্ত জমা দিয়েছেন। তাঁদের আর্জি, ষাঁড়টিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হোক।
এই বিষয়ে বলাগড় ব্লক প্রাণী সম্পদ বিভাগের আধিকারিক বরুণ মৌলির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি জানান, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। হয়ত কেউ তাকে আগে আক্রমণ করেছে। তার শিং ধরে ভেঙে দিয়েছে। তাই সে মানুষকে ভয় পেয়ে নিজের আত্মরক্ষার জন্য আক্রমণ করছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে ধরে, আগে তার চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করতে হবে।’
