Hooghly: তরুণীকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে ভাঙচুর, সামনে এল বরের ‘কীর্তি’

Woman allegedly killed by in-laws: মৌমিতার কাকিমা সোমা চক্রবর্তীর অভিযোগ, "বিয়ের পর থেকে অত্যাচার করা হত। কয়েকবার মেটানোর চেষ্টাও হয়েছে। জিনিসপত্র, দেনা পাওনা এসব নিয়ে চলত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। পরে আমরা জানতে পারি, এটা চার নম্বর বিয়ে ছিল জামাইয়ের।"

Hooghly: তরুণীকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে ভাঙচুর, সামনে এল বরের কীর্তি
মৃত তরুণীর শ্বশুরবাড়িতে ভাঙচুর চালান স্থানীয় বাসিন্দারাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 21, 2026 | 11:52 PM

চুঁচুড়া: গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু। শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। মৃতের নাম মৌমিতা চক্রবর্তী। মৃতার শ্বশুরবাড়িতে ভাঙচুর চালালেন মৃতার আত্মীয় পরিজনরা। ঘটনাটি হুগলির চুঁচুড়ার কাপাসডাঙার। মৃতের স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ, মৃতার স্বামী এর আগেও একাধিকবার বিয়ে করেছেন। অথচ তা গোপন করেছিলেন মৌমিতার পরিবারের কাছে।

জানা গিয়েছে, চুঁচুড়ার কাপাসডাঙার দীপঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বছর তিনেক আগে বিয়ে হয়েছিল হাওড়ার সাঁকরাইলের মৌমিতা চক্রবর্তীর। বধূর পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের দাবিতে মৌমিতার উপর অত্যাচার চালাতেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন। মারধর করা হত। কয়েকবার এমনও হয়েছে, মৌমিতা তাঁর বাপের বাড়ি চলে যান। দীপঙ্কর তাঁকে বুঝিয়ে আবার নিয়ে আসেন কাপাসডাঙায়। তবুও অত্যাচার কমেনি বলে অভিযোগ।

গতকাল রাত বারোটায় মৌমিতা তাঁর বাবার সঙ্গে কথা বলেন ফোনে। শনিবার সকাল ৬টায় গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজনকে জানানো হয়, মৌমিতা গলায় দড়ি দিয়েছেন। এরপরই সাঁকরাইল থেকে লোকজন কাপাসডাঙা চলে আসেন। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় মৃতার শ্বশুরবাড়িতে। মৌমিতার কাকিমা সোমা চক্রবর্তীর অভিযোগ, “বিয়ের পর থেকে অত্যাচার করা হত। কয়েকবার মেটানোর চেষ্টাও হয়েছে। জিনিসপত্র, দেনা পাওনা এসব নিয়ে চলত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। পরে আমরা জানতে পারি, এটা চার নম্বর বিয়ে ছিল জামাইয়ের।”

দীপঙ্কর পেশায় গাড়ি চালক। তাঁর প্রতিবেশীরাও জানান, অত্যাচার করা হত বধূর উপর। উত্তেজনা ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে ব্যান্ডেল পুলিশ ফাঁড়ি ও চুঁচুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান চুঁচুড়া পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্মল চক্রবর্তী। তিনিও জানান, “এই পরিবারটির বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ উঠেছে। ছেলেটির একাধিক বিবাহ। প্রতিবেশীদের সঙ্গেও গন্ডগোল হয়েছে। ওর আইনানুগ শাস্তি হওয়া উচিত।” পুলিশ মৃতার স্বামী সহ পরিবারের সদস্যদের আটক করেছে।

Follow Us