Domjur: এবার মালদা-মুর্শিদাবাদ নয়, হাওড়াতেও চলে এল মিম, টিকিয়াপাড়ায় তুমুল উত্তেজনা
সোমবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত টিকিয়াপাড়ায় 'জনতা উন্নয়ন পার্টির' চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর একটি পার্টি অফিস উদ্বোধন করেন। এর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই হাওড়ার বাঁকড়ার বাদামতলায় মিমের নতুন পার্টি অফিস উদ্বোধন করেন রাজ্যে সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কি। এ দিন, এই পার্টি অফিসের সামনে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা হাতে পতাকা নিয়ে 'জয় বাংলা' স্লোগান দিতে থাকলে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

ডোমজুড়: ভোটের আগে মালদহ-মুর্শিদাবাদে মিম যে ঢুকে পড়েছে তা এখন সকলের জানা। তবে বাংলার বাকি রাজ্যগুলিতেও মিম তাদের দলের বিস্তার ঘটাচ্ছে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। হাওড়ার ডোমজুড়ের সংখ্যালঘু এলাকার মিমের অফিস খোলা নিয়ে এবার ছড়াল তুমুল উত্তেজনা। মঙ্গলবার বিকালে মিমের রাজ্য সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কি তাঁদের অফিসের উদ্বোধন করতে এলে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা সেই অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিলে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ডোমজুড় থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং র্যাফ।
সোমবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত টিকিয়াপাড়ায় ‘জনতা উন্নয়ন পার্টির’ চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর একটি পার্টি অফিস উদ্বোধন করেন। এর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই হাওড়ার বাঁকড়ার বাদামতলায় মিমের নতুন পার্টি অফিস উদ্বোধন করেন রাজ্যে সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কি। এ দিন, এই পার্টি অফিসের সামনে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা হাতে পতাকা নিয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকলে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে ডোমজুড় থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং র্যাফ।
স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, শেখ হাসানুল আগে তৃণমূল কংগ্রেস করলেও এখন বাইরের কিছু ছেলেকে নিয়ে এখানে মিম এর পার্টি অফিস খুলতে চাইছে। ওর সঙ্গে এলাকার কোন ছেলে নেই। আসলে এইসব করে ও টাকা উপায় করতে চায়। তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরে রাজ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের উন্নয়ন হচ্ছে। সেখানে অন্য দল ডেকে আনার কী দরকার ?
এদিকে মিমের রাজ্য সভাপতি ইরফান সোলাঙ্কি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মুসলিমদের ভোট নিয়ে তাঁদের পিছন থেকে ছুরি মেরেছেন। ওয়াকফ আইন নিয়ে তাঁদের স্বার্থ দেখেননি। তাই তাঁরা এবার আইএসএফ, জনতা উন্নয়ন পার্টি, মুসলিম লীগ সহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে জোট করতে চান। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের আসন বণ্টন চূড়ান্ত করা হবে। তারা এবার তাঁদের কথা বলার জন্য বিধানসভায় প্রতিনিধি পাঠাতে চান।” তৃণমূলের বিরোধিতা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “যাঁরা এখন বিরোধিতা করছেন, তাঁদের বোঝানো হবে। ওদের বিরোধিতা সত্ত্বেও মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমে একাধিক পার্টি অফিস খুলেছেন।”
