Jalpaiguri: পোড়াতে গিয়ে মর্টার শেল বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন কিশোর, শোরগোল মালবাজারে

Mortar shell blast: ঘটনার খবর পেয়ে মালবাজার থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে। জেলা পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানান, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মর্টার শেলটি নদীর ধারে এল কীভাবে, সেই প্রশ্ন উঠছে।

Jalpaiguri: পোড়াতে গিয়ে মর্টার শেল বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন কিশোর, শোরগোল মালবাজারে
মর্টার শেল বিস্ফোরণে মৃত কিশোরImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 08, 2026 | 7:14 PM

মালবাজার: নদী থেকে কুড়িয়ে পেয়েছিল একটি মর্টার শেল। কিন্তু, তা যে অব্যবহৃত, তা বুঝতে পারেনি বছর সতেরোর কিশোর। আর ওই মর্টার শেল পোড়াতে গিয়েই বিস্ফোরণে ওই কিশোরের মৃত্যু হল। রবিবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির মালবাজারে। মৃত কিশোরের নাম রওনাক চৌধুরী (১৭)। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।  

বাগরাকোট সেনা ছাউনির অন্তর্গত তিস্তা ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় নদী থেকে ওই অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি কুড়িয়ে পেয়েছিল রওনাক। একাদশ শ্রেণিতে পড়ত সে। তার বাড়ি মালবাজার থানার বাগরাকোট গ্রাম পঞ্চায়েতের সাউগাঁও বস্তিতে। তার বাবার নাম গৌরীশঙ্কর চৌধুরী।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ তিস্তা নদীর চরে ফায়ারিং রেঞ্জ এলাকায় গিয়েছিল রওনাক। অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি পাওয়ার পর পোড়ানোর চেষ্টা করছিল। সেই সময় হঠাৎ করেই মর্টার শেলটি বিস্ফোরিত হয়। তীব্র আওয়াজ পেয়ে দৌড়ে আসেন আশপাশের বাসিন্দারা। তাঁরা দেখেন, ঘটনাস্থলেই মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে রওনাক। একটা পায়ের অংশ দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। দেহের অন্যান্য অংশেও বিস্ফোরণে জখমের ছাপ স্পষ্ট।

ঘটনার খবর পেয়ে মালবাজার থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে। জেলা পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী জানান, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মর্টার শেলটি নদীর ধারে এল কীভাবে, সেই প্রশ্ন উঠছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অবিস্ফোরিত যুদ্ধাস্ত্র নিয়ে অসচেতনতা যে কতটা বিপজ্জনক এবং প্রাণঘাতী হতে পারে, এই ঘটনা তারই এক করুণ দৃষ্টান্ত হয়ে রইল বলে অনেকে মন্তব্য করছেন। তাঁরা বলছেন, কোনও যুদ্ধাস্ত্র পেলে তা পুলিশের কাছে জমা দেওয়াই উচিত।